Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ভাষণের পর আরও বাড়ল তেলের দাম

ডেস্ক রিপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ এএম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ভাষণের পর আরও বাড়ল তেলের দাম

ইরানের সাথে যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিভিন্ন মন্তব্যের মধ্যেই আরও বেড়েছে তেলের দাম।  প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সংঘাত আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়ায় বাজারে প্রভাব ফেলেছে।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২৭ মিনিটের দিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড ফিউচার্স (মে মাসের বরাত) ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০১ দশমিক ৮০ ডলারে পৌঁছায়।  অপরদিকে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ, যা ব্যারেলপ্রতি ১০৪ দশমিক ০৪ ডলারে অবস্থান করছে।

এর আগে বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইরান যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছে। এই খবরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে আরও বেশি তেলবাহী জাহাজ চলাচলের আশা তৈরি হয়।  গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্বের তেল ও গ্যাসের ২০ শতাংশের চলাচলের পথ হিসেবে পরিচিত এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীটি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

ট্রাম্প তাঁর পোস্টে জানান, ইরানের ‘নতুন শাসনের প্রেসিডেন্ট’ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছেন, কিন্তু হরমুজ প্রণালী ‘উন্মুক্ত, মুক্ত ও পরিষ্কার’ না করা হলে এই অনুরোধ বিবেচনা করা হবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা ইরানকে ধ্বংস করে দেব, বা যেমন তারা বলে, পাথর যুগে ফিরিয়ে দেব!!!”

তবে ইরানের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের এই দাবি অস্বীকার করা হয়েছে। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘অদ্ভুত প্রদর্শনীর’ কারণে এই জলপথ পুনরায় চালু হবে না এবং গুরুত্বপূর্ণ এই ট্রানজিট রুট ‘ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরস নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে শান্তি আলোচনার অস্তিত্ব ও অবস্থা নিয়ে উভয় পক্ষের দাবির মধ্যে বারবার বিরোধ দেখা গেছে। ট্রাম্প নিজেও পরস্পরবিরোধী বার্তা দিচ্ছেন। একদিকে তিনি জানিয়েছেন, আলোচনা শান্তি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে; অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র হাজার হাজার সৈন্য অঞ্চলটিতে পাঠিয়ে সংঘাত জোরদার করারও প্রস্তুতি রেখেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের সাথে কোনো চুক্তি ছাড়াই মার্কিন সামরিক বাহিনী ‘দুই বা তিন সপ্তাহের মধ্যে’ অভিযান শেষ করবে বলে তিনি আশা করছেন। তিনি বিজয়ের ঘোষণাও দেন। “আমরা খুব শীঘ্রই চলে আসব,” বলেন তিনি। তার এই মন্তব্যের পর গত এক সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবার ব্রেন্ট তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে যায়। তবে পরবর্তী বক্তব্যে আবারও বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়।

Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন