ভারতে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। দেশটির শীর্ষ এলএনজি আমদানিকারক কোম্পানি পেট্রোনেট এলএনজি লিমিটেড, ইন্ডিয়ান ওয়েল করপোরেশন ও গেইল শিল্পখাতের গ্রাহকদের সরবরাহ ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েছে। সরবরাহ হ্রাসের পেছনে কাতারের ড্রোন হামলার পর উৎপাদন স্থগিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সরবরাহ ঘাটতি মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানগুলো স্পট বাজারে টেন্ডার আহ্বানের পরিকল্পনা করছে। তবে ইতিমধ্যেই স্পট বাজারে দাম, পরিবহন ব্যয় ও বিমা খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। নয়াদিল্লিতে জরুরি পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলছে; ভারত পেট্রোল ও ডিজেল রপ্তানি কমাতে পারে এবং রুশ অপরিশোধিত তেল আমদানি বাড়াতে পারে।
জ্বালানিমন্ত্রী হার্দীপ সিং পুরি জানিয়েছেন, দেশের প্রধান পেট্রোলিয়াম পণ্যের প্রাপ্যতা ও সহনীয় দাম নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভারতের এলপিজি মজুত বর্তমানে মাত্র ১০-১২ দিনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। রাষ্ট্রায়ত্ত পরিশোধনাগার এলপিজি উৎপাদন বাড়াতে শুরু করেছে। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত চলতে থাকলে দেশ শিগগিরই জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক রপ্তানির মধ্যে সমীকরণে জড়াতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ দাঁড়িয়েছে—দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষা করা, নাকি বৈশ্বিক বাজারে রপ্তানিকারক হিসেবে ভূমিকা বজায় রাখা।

