Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলার অনুমতি

ডেস্ক রিপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:৩১ এএম

যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলার অনুমতি

যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলার অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এ কথা জানিয়েছেন।

রবিবার সন্ধ্যায় দেওয়া রেকর্ড করা বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরানের আচরণ দিন দিন আরও বেপরোয়া হচ্ছে। এতে ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

স্টারমার জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে ইরান হামলা চালাচ্ছে সেখানে প্রায় ২ লাখ ব্রিটিশ নাগরিক অবস্থান করছেন। তার ভাষায়, ‘হুমকি থামানোর একমাত্র উপায় হলো ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ধ্বংস করা।’ তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নির্দিষ্ট ও সীমিত প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এই অনুমতি চেয়েছিল, আর যুক্তরাজ্য তা মেনে নিয়েছে।

বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাইপ্রাসে অবস্থিত আকরোতিরি বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা হয়। সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, কেউ হতাহত হয়নি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ঘাঁটিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

ফ্রান্স ও জার্মানির সঙ্গে যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাজ্য বলেছে, তারা আঞ্চলিক মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেবে। ব্রিটিশ জেট আকাশে টহল দিচ্ছে এবং ইতিমধ্যে ইরানের কিছু হামলা ঠেকিয়েছে।

তবে বিষয়টি বিতর্ক তৈরি করেছে। লেবার দলের এমিলি থর্নবেরি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা এড ডেভি সংসদে ভোটের দাবি জানিয়েছেন। গ্রিন পার্টির জ্যাক পোলানস্কি এটিকে ‘অবৈধ ও অপ্ররোচিত হামলা’ বলেছেন।

অন্যদিকে কনজারভেটিভ ও রিফর্ম ইউকে আরও সমর্থনের চাপ দিচ্ছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেন, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে খুব কম মানুষই শোক করবে। তার দাবি, ইরানের শাসনব্যবস্থা নিজেদের নাগরিক হত্যা ও সন্ত্রাসে জড়িত।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন