খামেনি হত্যার পর ইরানে ‘রেজিম পরিবর্তন’ সহজ নয়: সতর্ক করলেন মাইকেল মুলরয়
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক উপ-সহকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইকেল মুলরয় বলেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করা হলে সেটিকে ভেনেজুয়েলার পর যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ‘রেজিম পরিবর্তন’ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা যেতে পারে। তবে তার মতে, ইরানের পরিস্থিতি ভেনেজুয়েলার তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুলরয় বলেন, ভেনেজুয়েলায় শাসনব্যবস্থা মূলত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এবং তার আশপাশে তুলনামূলক দুর্বল সহযোগীরা ছিলেন। কিন্তু ইরানে সুপ্রিম লিডারের পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী, ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং গোয়েন্দা সংস্থার ভেতরে একাধিক ক্ষমতার কেন্দ্র রয়েছে।
ইরানের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সুপ্রিম লিডারকে সরিয়ে দেওয়া হলেও তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের দাবির কাছে নতি স্বীকার করবে—এমন সম্ভাবনা কম। বরং সাম্প্রতিক বক্তব্য ও অবস্থানের ভিত্তিতে তারা পরিস্থিতিকে আরও তীব্র করতে পারে, যা পুরো অঞ্চলকে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে রূপ দিতে পারে।
মুলরয় সতর্ক করে বলেন, ইরানের হাতে বিপুলসংখ্যক ড্রোন রয়েছে। এগুলোর কিছু দুবাই ও বাহরাইনের বিভিন্ন স্থাপনায় আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। যদিও এসব ড্রোন অনেক সময় সহজে ভূপাতিত করা যায়, তবুও একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক ড্রোন পাঠানো হলে প্রতিরোধ কঠিন হয়ে পড়ে। তার মতে, এ বিষয়টি পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ।

