যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে ইরান। আজ রবিবার সকালে ইরানের রাষ্ট্র্রীয় সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রচার করা হয়। ওই সূত্রের বরাতে খবর বিবিসি ও সিএনএনের।
বিবিসি জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে আজ রোববার (১ মার্চ) থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি আজ সকালে জানায়, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শাহাদাত বরণ করেছেন’।
এর আগে খামেনি নিহত হওয়ার খবর জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘ইতিহাসের নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের একজন খামেনি মারা গেছেন।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গতকাল শনিবার সকালে তেহরানে নিজ কার্যালয়ে হামলায় নিহত হয়েছেন।
আপডেট
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম চড়া, ঝুঁকিতে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংঘাত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে—বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবাহিত হয়। বর্তমানে যুদ্ধঝুঁকির কারণে এই রুট দিয়ে সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হওয়ার উপক্রম হয়েছে, যার প্রভাবে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে গত শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারিতে যেখানে ব্যারেলপ্রতি দাম ছিল ৬১ ডলার, তা বেড়ে বর্তমানে ৬৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মূলত ইরান–যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক ফলহীন হওয়ার পর থেকেই বাজারে অস্থিরতা বাড়ছিল; সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের পর দাম আরও উর্ধ্বমুখী হওয়ার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশের ঝুঁকি কোথায়?
বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সরাসরি হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ প্রাথমিক জ্বালানি আমদানি—অপরিশোধিত তেল, পরিশোধিত জ্বালানি ও এলএনজি—এই রুট দিয়েই বাংলাদেশে আসে। সৌদি আরব, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো প্রধান সরবরাহকারীদের কাছ থেকে জ্বালানি আনার ক্ষেত্রে বাস্তবে কোনো বিকল্প সমুদ্রপথ নেই।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য মূলত দুই ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে— ১. মূল্যঝুঁকি: আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও এলএনজি আমদানিকারকদের আমদানি ব্যয় বহুগুণ বাড়বে। এতে সরকারের ওপর ভর্তুকির চাপ বাড়বে অথবা দেশীয় বাজারে দাম সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে।
২. সরবরাহঝুঁকি: হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হলে বা বীমা প্রিমিয়াম বেড়ে গেলে শিপমেন্ট বিলম্বিত হতে পারে। এর ফলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরণের ঘাটতি তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।
জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে, যা সরাসরি শিল্পখাতে উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেবে। এতে জ্বালানিনির্ভর রপ্তানি পণ্যগুলো বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে। এছাড়া আমদানি বিল বেড়ে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে, যা দেশীয় বাজারে মুদ্রাস্ফীতি পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশকে দ্রুত বিকল্প সরবরাহ উৎস খোঁজা, দীর্ঘমেয়াদি মূল্যচুক্তি নিশ্চিত করা এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুত বাড়ানোর বিষয়টি নতুন করে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।
তথ্যসূত্র: টিবিএস
আপডেট
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম চড়া, ঝুঁকিতে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংঘাত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে—বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবাহিত হয়। বর্তমানে যুদ্ধঝুঁকির কারণে এই রুট দিয়ে সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হওয়ার উপক্রম হয়েছে, যার প্রভাবে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে গত শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারিতে যেখানে ব্যারেলপ্রতি দাম ছিল ৬১ ডলার, তা বেড়ে বর্তমানে ৬৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মূলত ইরান–যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক ফলহীন হওয়ার পর থেকেই বাজারে অস্থিরতা বাড়ছিল; সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের পর দাম আরও উর্ধ্বমুখী হওয়ার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশের ঝুঁকি কোথায়?
বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সরাসরি হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ প্রাথমিক জ্বালানি আমদানি—অপরিশোধিত তেল, পরিশোধিত জ্বালানি ও এলএনজি—এই রুট দিয়েই বাংলাদেশে আসে। সৌদি আরব, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো প্রধান সরবরাহকারীদের কাছ থেকে জ্বালানি আনার ক্ষেত্রে বাস্তবে কোনো বিকল্প সমুদ্রপথ নেই।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য মূলত দুই ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে— ১. মূল্যঝুঁকি: আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও এলএনজি আমদানিকারকদের আমদানি ব্যয় বহুগুণ বাড়বে। এতে সরকারের ওপর ভর্তুকির চাপ বাড়বে অথবা দেশীয় বাজারে দাম সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে।
২. সরবরাহঝুঁকি: হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হলে বা বীমা প্রিমিয়াম বেড়ে গেলে শিপমেন্ট বিলম্বিত হতে পারে। এর ফলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরণের ঘাটতি তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।
জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে, যা সরাসরি শিল্পখাতে উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেবে। এতে জ্বালানিনির্ভর রপ্তানি পণ্যগুলো বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে। এছাড়া আমদানি বিল বেড়ে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে, যা দেশীয় বাজারে মুদ্রাস্ফীতি পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশকে দ্রুত বিকল্প সরবরাহ উৎস খোঁজা, দীর্ঘমেয়াদি মূল্যচুক্তি নিশ্চিত করা এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুত বাড়ানোর বিষয়টি নতুন করে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।
তথ্যসূত্র: টিবিএস
আপডেট
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট স্থগিত
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য। এ অবস্থায় বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে পরিচালিত সব ফ্লাইট আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
আজ শনিবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগিব সামাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ থেকে ওই অঞ্চলের সব ফ্লাইট আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে চলমান হামলার কারণে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিমান সূত্রে জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশ কয়েকটি দেশের এয়ারস্পেসে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় ফ্লাইট পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আপডেট
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট স্থগিত
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য। এ অবস্থায় বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে পরিচালিত সব ফ্লাইট আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
আজ শনিবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগিব সামাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ থেকে ওই অঞ্চলের সব ফ্লাইট আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে চলমান হামলার কারণে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিমান সূত্রে জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশ কয়েকটি দেশের এয়ারস্পেসে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় ফ্লাইট পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আপডেট
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি আক্রমণ বন্ধের আহ্বান রাশিয়ার
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি আক্রমণ অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই আহ্বান জানায়। মস্কো বলেছে, পরিস্থিতিকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।
এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত দ্রুত দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের একটি বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন করা, যা এই অঞ্চলকে আরও অস্থিতিশীল করার ঝুঁকি তৈরি করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং স্বার্থের ভারসাম্যের ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার প্রচেষ্টায় সহায়তা করার জন্য তারা আগের মতোই প্রস্তুত রয়েছে।
আপডেট
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি আক্রমণ বন্ধের আহ্বান রাশিয়ার
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি আক্রমণ অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই আহ্বান জানায়। মস্কো বলেছে, পরিস্থিতিকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।
এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত দ্রুত দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের একটি বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন করা, যা এই অঞ্চলকে আরও অস্থিতিশীল করার ঝুঁকি তৈরি করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং স্বার্থের ভারসাম্যের ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার প্রচেষ্টায় সহায়তা করার জন্য তারা আগের মতোই প্রস্তুত রয়েছে।
আপডেট
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইরান
ইরানের আইআরজিসি (বিপ্লবী গার্ড বাহিনী) নিশ্চিত করেছে, তারা মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে শত্রু ও অপরাধীদের আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায়, দখলকৃত অঞ্চলের দিকে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রথম ধাপ শুরু হয়েছে।’
এদিকে ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের দিকে আসছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এর ফলে দেশটির বেশ কয়েকটি এলাকায় সাইরেন বেজে উঠেছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করতে জনসাধারণকে অনুরোধ করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী হুমকি প্রতিহত করার কাজ করছে। প্রয়োজন দেখা দিলে হুমকি নির্মূল করার কাজও করছে তারা।
ইতিমধ্যে, কিছু গণমাধ্যমে ইসরায়েলে বিস্ফোরণের খবর প্রকাশ করা হয়েছে।
ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস জানিয়েছে, হামলার জবাবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথম ধাপের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
আপডেট
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইরান
ইরানের আইআরজিসি (বিপ্লবী গার্ড বাহিনী) নিশ্চিত করেছে, তারা মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে শত্রু ও অপরাধীদের আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায়, দখলকৃত অঞ্চলের দিকে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রথম ধাপ শুরু হয়েছে।’
এদিকে ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের দিকে আসছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এর ফলে দেশটির বেশ কয়েকটি এলাকায় সাইরেন বেজে উঠেছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করতে জনসাধারণকে অনুরোধ করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী হুমকি প্রতিহত করার কাজ করছে। প্রয়োজন দেখা দিলে হুমকি নির্মূল করার কাজও করছে তারা।
ইতিমধ্যে, কিছু গণমাধ্যমে ইসরায়েলে বিস্ফোরণের খবর প্রকাশ করা হয়েছে।
ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস জানিয়েছে, হামলার জবাবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথম ধাপের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

