Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

চীন ও জাপানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বেড়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:২৯ পিএম

চীন ও জাপানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বেড়েছে

চীন ও জাপানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বেড়েছে। চীনের একটি বিমানবাহী রণতরী জাপানের সীমানার কাছাকাছি আকাশপথে তীব্র সামরিক তৎপরতা চালিয়েছে।

চীনা রণতরী ‘লিয়াওনিং’ প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে ওকিনাওয়া দ্বীপপুঞ্জের পাশ দিয়ে যায়। জাপানের সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স জানিয়েছে, এই সময়ে প্রায় ১০০ বার উড্ডয়ন ও অবতরণ করে চীনা যুদ্ধবিমানগুলো।

এর আগে গত মাসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যদি চীন তাইওয়ানের বিরুদ্ধে এমন কোনো পদক্ষেপ নেয় যা জাপানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে, তাহলে টোকিও তার জবাব দিতে পারে।

শনিবার চীনা যুদ্ধবিমানগুলো জাপানি নজরদারি বিমানের দিকে রাডার সিগন্যাল ছুড়ে দেয় বলে অভিযোগ করে জাপান। এটি সম্ভাব্য হামলার সংকেত, যা প্রতিপক্ষের বিমানে প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এরপর রবিবার চীনা রাষ্ট্রদূত উ জিয়াংহাওকে তলব করে জাপান।

জাপান চীনের এই আচরণকে ‘বিপজ্জনক ও দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছে। তবে চীনা দূতাবাস এই অভিযোগ অস্বীকার করে। তাদের দাবি, ‘লিয়াওনিং’ প্রশিক্ষণ চালাচ্ছিল, আর জাপানি বিমানগুলো খুব কাছাকাছি গিয়ে উড্ডয়ন নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

চীনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জাপান যেন মিথ্যা প্রচার বন্ধ করে, দায়িত্বশীল আচরণ করে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিত করে।’

জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মিনোরু কিহারা চীনের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘জাপান শান্তভাবে কিন্তু দৃঢ়ভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে এবং আশেপাশের জলসীমায় চীনা বাহিনীর তৎপরতা পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাবে।’

প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির বক্তব্যের পর চীন তাদের নাগরিকদের জাপান সফরের বিষয়ে সতর্ক করেছে এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক প্ল্যান্ট থেকে পরিশোধিত পানি ছাড়ার ঘটনায় স্থগিত থাকা সামুদ্রিক খাদ্য আমদানি আবার শুরু করার প্রক্রিয়া থামিয়ে দিয়েছে।

চীন তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে, যদিও তাইওয়ান একটি গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত দ্বীপ, যারা বেইজিংয়ের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে।

তাইওয়ান জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ওকিনাওয়া দ্বীপপুঞ্জ থেকে মাত্র ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এই এলাকাতেই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিদেশি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যার মধ্যে হাজার হাজার মার্কিন মেরিন সেনাও আছে।


Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন