ট্রাম্পের এশিয়া সফর, থাইল্যান্ড ও কাম্বোডিয়ার যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই
থাইল্যান্ড ও কাম্বোডিয়ার নেতারা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জুলাই মাসে সংঘর্ষ বন্ধে মধ্যস্থতা করেছিলেন তিনিই।
মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আসিয়ান সম্মেলনে ট্রাম্পের উপস্থিতিতেই কাম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল আজ রবিবার এই চুক্তিপত্রে সই করেন।
চুক্তির অংশ হিসেবে থাইল্যান্ড ১৮ জন কাম্বোডীয় সৈনিককে মুক্তি দেবে এবং উভয় দেশ সীমান্ত এলাকা থেকে ভারী অস্ত্র সরিয়ে নেবে—এমনটাই জানানো হয়েছে।
তিন মাস আগে ট্রাম্প দুই দেশের তৎকালীন নেতৃত্বকে ফোন করে সংঘর্ষ থামানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, যুদ্ধ বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত হতে পারে।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর ট্রাম্প কাম্বোডিয়ার সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি এবং থাইল্যান্ডের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ বিষয়ক একটি চুক্তিতে সই করেন। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, মালয়েশিয়ায় অবস্থানকালেও ট্রাম্প দেশটির সঙ্গে খনিজসম্পদবিষয়ক একটি চুক্তিতে সই করবেন।
এই সফরটি ট্রাম্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম মালয়েশিয়া, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সফর। সফরের শেষ দিনে তার সঙ্গে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আলোচনায় বসার কথা রয়েছে, যেখানে উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্য ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে।
মালয়েশিয়ায় পা রাখার আগেই ট্রাম্প ঘোষণা দেন, কানাডার পণ্যে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। অন্টারিও সরকারের একটি ‘বিরুদ্ধ বিজ্ঞাপন’–এর প্রতিক্রিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি, যা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্কে আরও উত্তেজনা তৈরি করেছে।
আসিয়ান সম্মেলনে ট্রাম্প ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনির উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও, ট্রাম্প সাংবাদিকদের স্পষ্ট করে বলেন—কারনির সঙ্গে তার বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা নেই।

