ত্রিপুরায় নিহত ৩ বাংলাদেশি চোরাচালানকারী ছিলেন: ভারত
রণধীর জয়সওয়াল। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের ত্রিপুরায় গত ১৫ অক্টোবর তিন বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়র্। তিন বাংলাদেশিকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ভারত সরকারের উদ্দেশ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় ‘এই জঘন্য অপরাধ মেনে নেওয়া যাবে না। এটি মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের লঙ্ঘন।’
আজ শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেই বাংলাদেশের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের ‘চোরাচালানকারী’ হিসেবে উল্লেখ কর বলেছেন, ‘গরু চুরির চেষ্টা করেছিল তারা। আমরা জানতে পেরেছি যে গত ১৫ অক্টোবর ত্রিপুরায় একটি ঘটনা ঘটে, যেখানে তিনজন বাংলাদেশি পাচারকারী নিহত হন। বাংলাদেশ থেকে ওই তিনজন দুর্বৃত্ত আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডের বিদ্যাবিল গ্রাম থেকে গরু চুরির চেষ্টা করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা স্থানীয় গ্রামবাসীদের ওপর লোহার রড এবং ছুরি দিয়ে আক্রমণ করে, তাদের আহত করে এবং একজন গ্রামবাসীকে হত্যা করে। এরপর অন্যান্য গ্রামবাসীরা আক্রমণকারীদের প্রতিরোধ করে।’
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, কর্মকর্তারা যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছান, তখন দুই চোরাচালানকারীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং তৃতীয় ব্যক্তি পরের দিন হাসপাতালে মারা যান। নিহত তিনজনের মৃতদেহ বাংলাদেশি পক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান জয়সওয়াল। এ ঘটনায় পুলিশ একটি মামলাও দায়ের করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

