ধানের শীষের ২৯২ প্রার্থীর ৮৫ জন সাবেক এমপি
বিএনপি আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে দলীয় প্রার্থী দিয়েছে। আজ সোমবার সকালে গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন এই তথ্য জানান।
মাহদী আমিন বলেন, এই প্রার্থীদের মধ্যে ৮৫ জনের ইতোপূর্বে সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের জন্য কাজ করার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা রয়েছে, তারা জনগণের সেবা করেছেন, জনগণের পাশে থেকেছেন।
বিএনপি এবারের প্রার্থীদের মধ্যে ১৯ জন ইতোপূর্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন জানিয়ে মুখপাত্র বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় এই অতীত অভিজ্ঞতা এবং জনসম্পৃক্ততা গণমানুষের দল বিএনপিকে একটি ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকেও বিএনপির প্রার্থীদের সক্রিয়তা রয়েছে। ২৩৭ জন ন্যূনতম স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।
মাহদী আমিন বলেন, বিএনপি এবার ১০ জন নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে, যা তার ভাষায় ‘নারীর ক্ষমতায়নে দলীয় প্রতিশ্রুতির বহিঃপ্রকাশ। ইনশাল্লাহ এ সংখ্যা আগামী দিনে আরো বেশি আরো বাড়ানোর জন্য আমরা দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ। আপনারা অবগত আছেন যে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী হওয়া সত্ত্বেও একজন নারীকেও মনোনয়ন দেয়নি এমন রাজনৈতিক দল রয়েছে, যা হতাশাজনক ও দুঃখজনক।
গুমের শিকার প্রার্থীদের মনোনয়ন
মাহদী আমিন বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে সবচেয়ে বেশি গুম-খুন নিপীড়ন হামলা-মামলা এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছে যে দলটি, সেটি বিএনপি। স্বাভাবিকভাবেই বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ফ্যাসিস্ট দ্বারা সবচেয়ে বেশি যারা নির্যাতিত হয়েছেন, উনাদের আধিক্য রয়েছে।
“বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে গুম হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন প্রার্থী। জনাব সালাউদ্দিন আহমদ, জনাব আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন ও জনাব হুম্মাম কাদের চৌধুরী।
এছাড়া গুমের শিকারদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সাবেক এমপি ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রশদীর লুনা এবং সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন ও মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলিকেও মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে প্রায় সবার নামে বহু মামলা রয়েছে, অনেকের বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা একশর বেশি।

