Logo
Logo
×

রাজনীতি

দোষারোপের রাজনীতিতে মানুষের পেট ভরে না: তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৪ পিএম

দোষারোপের রাজনীতিতে মানুষের পেট ভরে না: তারেক রহমান

দোষারোপের রাজনীতি নয়, মানুষকে ভালো রাখার রাজনীতি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যশোর সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সাদা গায়ের রং (অ্যালবিনিজম রোগে আক্রান্ত) নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশু আফিয়া ও তার মা মনিরা খাতুনকে প্রতিশ্রুত নতুন ঘর (সেমি-পাকা) হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তারেক রহমান এ কথা বলেন। আজ সোমবার আফিয়াদের নতুন বাড়িতে এই হস্তান্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

তারেক রহমান বলেন, দোষারোপের রাজনীতি করলে মানুষের পেট ভরবে না। রাজনীতিকে শুধু স্লোগান, গান, মিছিল, মিটিংয়ে সীমাবদ্ধ করতে চাই না। মানুষের উপকারের জন্য রাজনীতি করতে হবে। সেজন্য, যে কাজ করলে মানুষের পেট ভরবে, মানুষ ভালো থাকবে, সেই কাজগুলো আমরা করতে চাই।

অতিরিক্ত ফর্সা রং নিয়ে জন্ম নেওয়ার পরপরই আফিয়ার বাবা সন্দেহবশত তার মাকে তালাক দিয়ে বিদেশে চলে যান। এরপর শিশু আফিয়াকে নিয়ে তার মা চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাতে থাকেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে তা লন্ডনে থাকা অবস্থায় তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। 

তারেক রহমান সেখান থেকে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে আফিয়ার পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন ও তাদের থাকার ব্যবস্থা করতে বলেন। সে অনুযায়ী আফিয়াদের গ্রামের বাড়ি যশোর সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামে একটি সেমিপাকা ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়। সেই ঘরটিই আজ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি ঢাকা থেকে সরাসরি যুক্ত হন তারেক রহমান। এসময় আফিয়াদের বাড়িতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ যশোর জেলা ও মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিএনপির চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাংবিধানিক ও আইনগত সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে কিছু কাজ করেছে। দেশের মানুষ, দেশ ও দেশের ভবিষ্যতের জন্য এগুলোও প্রয়োজনীয়। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক কাজই হয়তো করতে পারেনি। আফিয়ার মতো যত সন্তান রয়েছে, আফিয়ার মায়ের মতো যত অসহায় মানুষ রয়েছে, তারাও এদেশেরই সন্তান। তাদের নিয়েও আমাদের চিন্তা করতে হবে।’

Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন