সংবাদপত্রে হামলার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ
চেয়েছিলাম ডেমোক্রেসি কিন্তু কেন সেটি হয়ে যাবে মবক্রেসি
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পত্রিকা সমাজের দর্পণ, কিন্তু এখন বলা যায় এ মুহূর্তে সমাজের সেই দপর্ণ চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেছে। বেশ কিছুদিন ধরে গণমাধ্যমকে চিহ্নিত করে, টার্গেট করে হামলা করতে দেখেছি। অনুমান করা উচিত ছিল। কিছু স্থাপনায়, কিছু ঠিকানায় যেভাবে মবক্রেসিকে অ্যালাউ করা হয়েছে, সেটাকে বলা যায় আমরা চেয়েছিলাম ডেমোক্রেসি, কিন্তু সেটি কেন হয়ে যাবে মবক্রেসি? তাকে কেন লালন করা হবে?
আজ রবিবার ঢাকায় সম্পাদক, বার্তা প্রধান ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের নিয়ে বিএনপি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঢাকায় ফেরা উপলক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে বিএনপি। ২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা তারেক রহমানের আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, প্রথম আলো, ডেইলি স্টার যেভাবে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে— যাকে বলি বার্ন ডাউন টু দ্য গ্রাউন্ড, এ রকম দৃশ্য সারা বিশ্ব দেখেছে। সেটা আমাদের জন্য লজ্জার। এ ঘটনায় সরকারের দায়িত্ব ছিল বেশি, কারণ এমন প্রেডিকশন অনুমান ইন্টিলিজেন্স রিপোর্টে থাকে। আমরাও জেনেছি সেই ইন্টিলিজেন্স রিপোর্ট। কিন্তু সেটা আমলে নেওয়া হলো না কেন? আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে বলার পরেও এক দেড় ঘণ্টা পর কেন রেসপন্স হলো?
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব যারা নিয়েছেন, এ জায়গায় তাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। আমি সরকারের দুর্বলতার দিকে ইঙ্গিত করছি। এগুলো কঠোর হাতে দমন করা উচিত ছিল।

