জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ইসি থেকেই রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি বিএনপির
বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিজস্ব কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির সংলাপে অংশ নিয়ে দলটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসকেরা (ডিসি) রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডিসি-ইউএনওদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের এসব দায়িত্বে রাখার দাবি উঠেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ডিসি-ইউএনওরাই সেই দায়িত্বে ছিলেন।
জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ইসির কর্মকর্তাদের জাতীয় নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি আগেও ছিল। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপে ইসি কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানাল বিএনপি।
সংলাপে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘দেশ একটা ক্রান্তিকাল পার করছে। এই সময়ে ইসির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পাঁচ কমিশনারের দায়িত্ব বিশাল। নির্বাচনের বিশাল কর্মযজ্ঞ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সম্পন্ন করতে হয়। তাই ম্যানপাওয়ারের সর্বোচ্চ ব্যবহার করা আবশ্যক। নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ভাড়া করে নিয়ে আসেন। আপনাদের যতটুকু লোকবল আছে, তার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করুন। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব জনবল থেকে দেওয়ার দাবি জানাই।’
ইসির উদ্দেশে মঈন খান বলেন, ‘এই নির্বাচনে আপনারা এই সিদ্ধান্তটা নেন; কোনো রিটার্নিং কর্মকর্তা, কোনো সহাকরী রিটার্নিং কর্মকর্তা আপনাদের (ইসির কর্মকর্তা) বাইরে হবে না। এই একটিমাত্র সিদ্ধান্ত নেন, দেখবেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আসবে। ১০ লাখ লোক আপনারা দিতে পারবেন না। কিন্তু পাঁচ, ছয় শ লোক আপনারা দিতে পারবেন।’
মঈন খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কম্পিউটারে চারটি বাটন আছে; একটা ডিসি, একটা এসপি, একটা ইউএনও আরেকটা হচ্ছে ওসি। প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে চারটি বাটন টেপা হয়, ৩০০ নির্বাচনী এলাকার ফল প্রিন্ট আউট হয়ে বের হয়ে আসে। এই পদ্ধতি থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।’

