Logo
Logo
×

রাজনীতি

বিএনপির প্রার্থী তালিকায় তারুণ্যের বার্তা দিচ্ছেন শ্রাবণ

ডেস্ক রিপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৫২ এএম

বিএনপির প্রার্থী তালিকায় তারুণ্যের বার্তা দিচ্ছেন শ্রাবণ

কাজী রওনকুল ইসলামের (শ্রাবণ)। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৩৭ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। প্রার্থীদের নামের তালিকায় কাজী রওনকুল ইসলামের (শ্রাবণ) নামও রয়েছে। শ্রাবণ বিএনপির প্রার্থী তালিকায় তারুণ্যের প্রতিনিধিত্ব করছেন। 

তিনি বিএনপির ছাত্রসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিগত কমিটির সভাপতি ছিলেন। বিএনপির প্রার্থী হিসেবে যারা মনোনীত হয়েছেন, তাদের মধ্যে শ্রাবণই সবচেয়ে কম বয়সী বলে জানিয়েছেন তিনি নিজেই।

যশোরের ছেলে কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক-স্নাতকোত্তর করেন তিনি। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগে সান্ধ্য কোর্সে (স্নাতকোত্তর) অধ্যয়নরত অবস্থায় ২০২২ সালে ছাত্রদলের সভাপতি হয়েছিলেন তিনি। ‘অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে ২০২৩ সালের আগস্টে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অবশ্য এর দুই মাসের মাথায় তাকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়।

সোমবার ( ৩ নভেম্বর) বিকালে ২৩৭ আসনে ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে কেশবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত যশোর-৬ আসনে প্রার্থী হিসেবে শ্রাবণের নাম ঘোষণা করা হয়।

মনোনয়ন পাওয়ার পর সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় শ্রাবণ বলেন, ‘এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। কেশবপুর আসনটি দীর্ঘদিন ধানের শীষের ছিল না। আমি জনগণের ভোটে এই আসন পুনরুদ্ধার করতে চাই। দল আমার ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছে, তার প্রতিদান দিয়ে যেন জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতে পারি, সেটাই হবে আমার প্রধান কাজ।’

এখন পর্যন্ত তিনিই বিএনপির সবচেয়ে কম বয়সী প্রার্থী—এ কথা উল্লেখ করে শ্রাবণ বলেন, ‘বিএনপির ৩১ দফায় তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার ঘোষণা আছে। আমি নির্বাচিত হলে বিশেষ করে কেশবপুরের তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতে আমি কাজ করব। তরুণদের মাদক থেকে সরিয়ে কীভাবে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি চর্চার দিকে নেওয়া যায়, তাদের ক্যারিয়ারকে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সেসব বিষয়ে আমি কাজ করব। পাশাপাশি দলকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করব।’

৪০ বছর বয়সী শ্রাবণের গ্রামের বাড়ি যশোরের কেশবপুর উপজেলার চিংড়া গ্রামে। কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন তিনি। থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে। কিছুদিনের মধ্যেই ছাত্রদল কর্মী হিসেবে হল ও বিভাগের সহপাঠীদের মধ্যে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। 

Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন