Logo
Logo
×

রাজনীতি

দয়া করে বিভাজন সৃষ্টি করবেন না, দেশকে বাঁচান: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:৪২ পিএম

দয়া করে বিভাজন সৃষ্টি করবেন না, দেশকে বাঁচান: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভেদ সৃষ্টি না করে দেশকে বাঁচানোর জন্য সবাইকে এক হতে হবে। সাংবাদিক ভাইদের আমি বলব, জোরেশোরে আপনারা প্রচার করবেন, দয়া করে দেশটাকে বাঁচান। এখন আর বিভাজন সৃষ্টি করবেন না।’

আজ বুধবার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সুধী, সনাতন ধর্মাবলম্বী ও নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

পিআর পদ্ধতির দাবির সমালোচনা করে সমাবেশে উপস্থিত সবার উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব প্রশ্ন করেন, ‘এই পিআর বোঝেন? আমাদের এখানে শিক্ষিত মা-বোনেরা আছেন, আপনারা কি পিআর ভোট বোঝেন?’

উপস্থিত জনগণ ‘না’ সূচক উত্তর দিলে ফখরুল বলেন, ‘আমি একটু বুঝিয়ে বলি, পিআর হচ্ছে মানুষের এই প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার দরকার নেই, দলটাকে ভোট দিতে হবে। কিন্তু আমি জানতে পারছি না—কোনটা আমার প্রার্থী, আমার ক্যান্ডিডেট কোনটা, আমার কাজ করবেন কে, আমার এমপি কে। আমার এমপি যদি না থাকেন, আমি যাব কার কাছে? এই জিনিসগুলো মাথার মধ্যে নিতে হবে।’

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, ‘পিআরের মতো বিষয়গুলো পার্লামেন্টে আলোচনা ও তর্কবিতর্ক করা যেতে পারে। আমরা বলেছি, আসুন নেক্সট পার্লামেন্টে এটা নিয়ে আমরা তর্কবিতর্ক করি। পিআর যদি দেশের লোক চায়, আমরা সেটা করব। কিন্তু না, উনারা ওইটা শুনবেন না। উনারা মিছিল করছেন, এনারাও মিছিল করছেন। প্রতিদিন মিছিল বের করছেন—পিআর চাই, পিআর চাই। এখন এই জিনিসটা উনারা জোর দিচ্ছেন।’

বিএনপি মহাসচিব সব দল ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘এই মুহূর্তে সব দাবিদাওয়া বন্ধ রেখে নির্বাচনটি দ্রুত হতে দেওয়া হোক। কিছু প্রতিষ্ঠানও এখন দাবিদাওয়া তুলছে, যার উদ্দেশ্যটা ভালো না। নির্বাচন পণ্ড করতে চায়। আমার তাদের প্রতি অনুরোধ, দয়া করে নির্বাচনটা তাড়াতাড়ি হতে দেন। এই মানুষগুলো বাঁচুক, যেই অস্থিরতার মধ্য দিয়ে মানুষ আছে, অস্থিরতা কাটুক।’

মির্জা ফখরুল সমাবেশে ভোট দিতে চাওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে উপস্থিত সবাই হাত তুলে সমর্থন জানান। এরপর ফখরুল বলেন, ‘ভোট চান। এখন সবাই ভোট চায়, নির্বাচন চায়। দয়া করে এসব (দাবিদাওয়া) বাদ দিয়ে নির্বাচনটা শেষ করেন। জনগণের প্রতিনিধি আসুক। এই বিষয়গুলো নিয়ে তারপর তর্কবিতর্ক করা যাবে। আরও কথা বলা যাবে।’

Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন