Logo
Logo
×

অভিমত

সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমানের পররাষ্ট্র ভাবনা

Icon

ফারহান আরিফ

প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৫, ১২:২৬ পিএম

সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমানের পররাষ্ট্র ভাবনা

সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিএনপির পররাষ্ট্র নীতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিয়েছেন। তিনি খুব সাবলীল ভাষায় দৃঢ়ভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন, বিএনপির পররাষ্ট্র দর্শন হবে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ ও মতামতের ভিত্তিতে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতসহ যে কোনো রাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগের ভিত্তি হবে, বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও এর জনগণের সার্বভৌম মর্যাদার সুরক্ষা দেয়া। তারেক রহমান খুব স্পষ্টভাবেই বলেছেন, বিএনপির পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। তিনি বলেন, ‘কূটনীতির ক্ষেত্রে বিএনপির নীতি, সবার আগে বাংলাদেশ—আমার জনগণ, আমার দেশ, আমার সার্বভৌমত্ব। এটিকে অক্ষুণ্ণ রেখে, এই স্বার্থ বিবেচনা করে, এবং এই স্বার্থকে অটুট রেখে বাকি সবকিছু।’ 

পররাষ্ট্র নীতি প্রসঙ্গে তারেক রহমানের এই বক্তব্য একেবারেই নতুন নয়। গত এক বছরেরও অধিক সময় যাবত তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বিভিন্ন সভা, সমাবেশে তিনি তার এই ভাবনা তুলে ধরেছেন। মূলত, প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বিএনপি বহির্বিশ্বের সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই নীতির অনুসারী। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার যুগান্তকারী ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ দর্শনের মাধ্যমে এই নীতি ও আদর্শের পাঠ দিয়ে গিয়েছেন।

১৯৮০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে জিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি তিনটি মূল লক্ষ্যের উপর দাঁড়িয়ে আছে— ক) স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সংহত এবং নিরাপদকরণ, খ) দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা, এবং গ) আন্তর্জাতিকভাবে শান্তি, স্বাধীনতা এবং প্রগতিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে উন্নত করা।’ তিনি বিশ্বাস করতেন, পররাষ্ট্রনীতিতে সবচেয়ে বড় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল জাতীয় সত্তা ও জাতীয় স্বার্থ হাসিল করা। 

জাতীয় স্বার্থ হাসিল করতে হলে দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্খা ও চাহিদার আলোকে রাষ্ট্রীয় নীতি ও আদর্শ প্রণয়ন করতে হয়। তারেক রহমানের মতে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি জনগণের মতামতের ভিত্তিতে গৃহীত হবে। সাধারণত বৃহৎ ও শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো প্রতিবেশি ছোট রাষ্ট্রগুলোকে নিজেদের পকেটে রাখতে চায়। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের সার্বভৌম মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে ছোট রাষ্ট্রগুলোকে স্বয়ম্ভরতা অর্জন করতে হয়; আর এক্ষেত্রে সহায়ক শক্তি হচ্ছে ঐ দেশের জনগণ। জনগণের মতামতকে অগ্রাহ্য করে যেমন খুশি তেমন পররাষ্ট্রনীতি কল্যাণ বয়ে আনে না। বরং জনগণকে সাথে নিয়ে, তাদেরকে সংগঠিত করে এবং তাদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়েই এ নীতি প্রণয়ন করতে হবে। জনমতকে উপজীব্য করে জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে যে পররাষ্ট্রনীতি প্রণীত হবে সেটাই স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি। নিজেদের সার্বভৌম মর্যাদা ও জাতীয়তাবাদকে সমুন্নত রেখে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা থেকে সুফল গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে পারাই একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির নিদর্শন। তারেক রহমানের বক্তব্যে এই নীতিরই প্রকাশ ঘটেছে। 

বিগত হাসিনা সরকারের সময় বাংলাদেশ এই নীতি থেকে সরে এসেছিল। স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বলতে কিছুই ছিল না। জনগণের চাহিদা ও মতামতকে উপেক্ষা করে হাসিনা সরকার একদেশদর্শী নীতি অবলম্বন করেছিল। প্রতিবেশী ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিজেদের সার্বভৌম মর্যাদা এবং জাতীয় স্বার্থকে সম্পূর্ণভাবে জলাঞ্জলি দিয়ে শেখ হাসিনা তার ক্ষমতাকে স্থায়ী করায় মনযোগী ছিলেন। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের নামে তার এই ভারত তোষণের নীতি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে ঝুঁকিতে ফেলে দেয়। জাতীয় নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি সবকিছুই ভারতের মুখাপেক্ষি হয়ে পড়ে। এরই চূড়ান্ত ফলাফল হচ্ছে শেখ হাসিনার ক্রমশ স্বৈরাচারে রূপান্তরিত হওয়া। ভারত শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতে নিজেদের প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তারের অবকাশ পায়। 

মূলত, বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই ভূখণ্ডের ওপর ভারতের একটি শ্যেনদৃষ্টি ছিল। ভারত কখনোই এই অঞ্চলে বাংলাদেশের শক্তিশালী অস্তিত্ব মেনে নিতে পারেনি। এর পেছনে এই ভূখণ্ডের ভৌগলিক বিন্যাস, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং বিপুল জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় পরিচয় প্রভাব রেখেছে বলে মনে করা হয়। ফলে শুরু থেকেই ভারত এখানে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আধিপত্য বিস্তারে নজর দেয়। আর এই স্বার্থ হাসিলে রাষ্ট্রটি নিজেদের ঐতিহাসিক মিত্র আওয়ামী লীগকে বেছে নেয়। যে কোনো মূল্যে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখে দলটির মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় মনযোগী ছিল ভারত, যা এদেশের মানুষের প্রত্যাশা ও চেতনার বিপরীত। 

ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনচেতা। ইতিহাস বলে, এদেশের মানুষ কখনোই স্বাধীনতা প্রশ্নে আপস করেনি। আত্মমর্যাদা সমুন্নত রাখার প্রশ্নে রক্ত ঝরানোর ইতিহাস রয়েছে বাংলাদেশের মানুষের। কিন্তু স্বাধীনতার পর শেখ মুজিব ও তার দল বাংলাদেশের মানুষের এই চেতনার পরিপন্থী নীতি গ্রহণ করে। রুশ-ভারতের করদরাজ্যে পরিণত হওয়ার আত্মঘাতী প্রকল্পে অংশ নেয় মুজিব সরকার। ১৯৭২ সালে মৈত্রীচুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের চালনা বন্দরে রুশ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এছাড়া ভারত কর্তৃক বিনা শুল্কে বাংলাদেশের বিমান বন্দর ব্যবহারের ঘটনাও ঘটে। মুজিব সরকারের এসব সিদ্ধান্ত ছিল জনগণের সাথে তাদের সম্বন্ধহীনতা এবং ঔদাসীন্যের ফল। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান এ পরিস্থিতির উত্তরণে কাজ করেছিলেন। কারণ দায়িত্ব গ্রহণের সময় বিদ্যমান পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে তিনি ভালো করেই বুঝতে পেরেছিলেন যে, এ ধরনের নীতির ফলে বাংলাদেশ ক্রমে একটি বিশেষ ব্লকে আবদ্ধ হয়ে পড়ছে। আর এ কারণে কার্যত কিছু দেশের সাথে অতিবন্ধুত্ব বা নামান্তরে দাসত্ব, আর কিছু দেশের সঙ্গে বৈরিতাপূর্ণ সম্পর্কের সূত্রপাত হচ্ছিল। জিয়া এই নীতির পরিবর্তে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেন, যার উৎস ছিল বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও মতামত। 

তারেক রহমানের পররাষ্ট্র দর্শনও বিএনপির দলীয় নীতি ও আদর্শের এই ধারাবাহিকতাকেই প্রতিফলিত করে। তিনি খুব স্পষ্টভাবেই জনগণের চাহিদা ও মতামতের ভিত্তিতে আগামী দিনের কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে বলে জানিয়েছেন। ভারত প্রসঙ্গে বিবিসি বাংলার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তারা যদি স্বৈরাচারকে সেখানে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের বিরাগভাজন হয়, সেখানে তো আমাদের কিছু করার নেই। বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, তাদের সাথে সম্পর্ক শীতল থাকবে। সুতরাং আমাকে আমার দেশের মানুষের সাথে থাকতে হবে।’ তারেক রহমান এখানে জনগণকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে এর বিকল্প নেই। একটি রাষ্ট্রে যত বেশি জনগণের অংশগ্রহণ থাকবে, যত বেশি জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটবে, সে রাষ্ট্রের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী হবে। তারেক রহমান ভারতের সাথে সম্পর্কের ধরন জনগণের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। কেবল ভারতই নয়, বরং যে কোনো দেশের সাথেই বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তি এটিই হবে। 

বাংলাদেশের অপরাপর রাজনৈতিক দলগুলো দুর্ভাগ্যজনকভাবে কখনোই এই নীতিতে নির্ভরশীল হতে পারেনি। প্রতিটি দলই কূটনৈতিক সম্পর্ককে ক্ষমতারোহণের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে সচেষ্ট হয়েছে। আওয়ামী লীগ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের নামে নতজানু নীতি গ্রহণ করে ভারতকে প্রভুর আসনে বসিয়ে নিজেদের ক্ষমতাকে স্থায়ী করতে সচেষ্ট ছিল। আবার কিছু রাজনৈতিক দল ভারত বিরোধিতার নামে জনতুষ্টিবাদী প্রপঞ্চ ছড়িয়ে দিয়ে ক্ষমতায় আরোহণের পথ খুঁজছে। প্রকৃত অর্থে কেউই জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দেয়নি; রাষ্ট্র ও নাগরিকের কল্যাণে কোনো নীতি গ্রহণ করেনি। তারেক রহমান এই অতি রক্ষণশীল বাইনারি ভেঙেছেন। তার চিন্তায় বাংলাদেশের স্বার্থ প্রাধান্য পেয়েছে। তিনি যে কোনো দেশের সাথে সমান অধিকার ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্কে স্থাপনে আগ্রহী। আর এটাই বাংলাদেশের জনগণের দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের চালিকাশক্তি। তারেক রহমান ভারতের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ন্যায্যতার প্রতিফলন চেয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি পানির ন্যায্য হিস্যা দাবি করেছেন, আর যেন কোনো ফেলানিকে সীমান্ত হত্যার শিকার না হতে হয় সে নিশ্চয়তা চেয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি ভারতীয় প্রভুত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। আর তার এই চ্যালেঞ্জের অনুপ্রেরণা হচ্ছে, বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের প্রত্যাশা। 

উল্লেখ্য যে, ভারতবিরোধতা মানে কোনো মুখরোচক রাজনৈতিক বক্তব্য নয়। বাংলাদেশে যদি গণতন্ত্রের ভিতকে একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া যায়, তবে সেটাই হবে প্রকৃত ভারতবিরোধিতা। কারণ ভারত কখনোই বাংলাদেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র দেখতে চায় না। আর বিএনপি বাংলাদেশের একমাত্র দল, যেটি তার প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লড়াইটা চালিয়ে আসছে। বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে রাজপথের দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম গণতন্ত্রের প্রতি দলটির প্রতিশ্রুতির পরিচয় বহন করে। বিএনপির এই রাজনৈতিক পরিক্রমাই ভারত প্রশ্নে দলটির অবস্থানকে সংজ্ঞায়িত করে। 

তারেক রহমানের রাষ্ট্রদর্শন এই মূলনীতি তথা জনগণের গণতান্ত্রিক চেতনা থেকেই উৎসারিত। তিনি রাষ্ট্রের প্রতিটি নীতি ও কার্যক্রমের ভিত্তিতেই পরিচালনা করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। তিনি তার রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বক্ষেত্রে, বিশেষ করে পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকেই প্রধান নির্ধারক হিসেবে নির্বাচন করেছেন। জনগণের ক্ষমতায়নের এই চেতনা থেকেই তিনি উচ্চারণ করেছেন— ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। কোনো রাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীলতা নয়; বরং সকল রাষ্ট্রের সাথেই সার্বভৌম মর্যাদার ভিত্তিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হবে। ক্ষমতাকে সুসংহত করা নয়; বরং বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখাই হবে যে কোনো রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের চাবিকাঠি। তারেক রহমানের বাংলাদেশকে সবার আগে রাখার অন্তর্নিহিত অর্থ হচ্ছে, তিনি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে একটি সার্বভৌম মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পতাকা সমুন্নত রাখতে চান। তিনি অতি বন্ধুত্ব বা বৈরিতা নয়, বরং সকলের সাথে সমতার ভিত্তিতে সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী। বাংলাদেশের পক্ষে, বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে তারেক রহমানের এই নীতি যদি কোনো রাষ্ট্রের মনঃপুত না হয়, তবে এটা একান্তই সে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতিগত বিষয়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের কোনো আপস নেই। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে নিজস্ব ভৌগলিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থের নিরিখেই।  

ফারহান আরিফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। 


Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন