Logo
Logo
×

অভিমত

বাংলাদেশে নাগরিক সমাজের ভবিষ্যৎ কী?

Icon

মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শিকদার

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৫, ০৯:৩৪ পিএম

বাংলাদেশে নাগরিক সমাজের ভবিষ্যৎ কী?

গত মাসে আমার পলিটিক্যাল সায়েন্স কোর্সের একটি ক্লাসে আমি “নাগরিক সমাজের ভূমিকা” পড়াচ্ছিলাম। ক্লাস চলাকালীন কিছু ছাত্র-ছাত্রী একের পর এক প্রশ্ন তুলছিল—নাগরিক সমাজ কি সত্যিই জনগণের পক্ষে কাজ করে? প্রথমে আমি কিছুটা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু এক পর্যায়ে এক ছাত্র হেসে বলল, “স্যার, আপনি কি এই প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যাচ্ছেন, কারণ আপনিও তো নাগরিক সমাজের অংশ?”

সত্যিই তো, আমি ভুলে গিয়েছিলাম আমি কার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছি—এটা জেন–জি প্রজন্ম, যারা প্রতিনিয়ত প্রশ্ন করে জবাব চায়। এই ঘটনার পর আমি নিজেকেই প্রশ্ন করতে বাধ্য হই—এই যে নাগরিক সমাজ, যাদের নিয়ে আমরা এত আলোচনা করি, তাদের সত্যিকারের কাজটা কি? 

নাগরিক সমাজ নিয়ে প্রথম যিনি গুরুত্ব দিয়ে কথা বলেন, তিনি ছিলেন ইতালির একজন বামপন্থী চিন্তাবিদ আন্তোনিও গ্রামশি। তিনি বলেন, নাগরিক সমাজ হলো এমন এক জায়গা, যেখানে স্কুল, পরিবার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আর মিডিয়ার মতো জিনিসের মাধ্যমে মানুষকে শেখানো হয় কীভাবে ভাবতে হবে, চলতে হবে। শুরুটা বাম চিন্তা থেকে হলেও পরবর্তী সময়ে বিশেষ করে যখন পশ্চিমা দেশগুলোতে উদারনৈতিক (লিবারেল) এবং পুঁজিবাদী (ক্যাপিটালিস্ট) সরকারগুলো ক্ষমতায় আসে, তখন তারা এই নাগরিক সমাজের ধারণাকে নিজেদের মত করে ব্যবহার করতে থাকে। তখন নাগরিক সমাজ হয়ে ওঠে এমন একটি জায়গা, যেটা উন্নয়ন, শান্তি আর গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু অনেক সময় রাষ্ট্র এবং কর্পোরেট ক্ষমতার সাথেই হাত মিলিয়ে চলে। 

বাংলাদেশের অনেক গবেষক ও চিন্তাবিদ—যেমন বদরুদ্দীন উমর ও আনু মুহাম্মদের মত শিক্ষকেরা, তাদের গবেষণার মাধ্যমে —এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত হয়ে বলেন, নাগরিক সমাজ একদিকে ভালো কাজও করতে পারে, আবার অন্যদিকে ক্ষমতার খেলাতেও জড়িয়ে যেতে পারে। এই দুই দিকটাই আমাদের বুঝতে হবে।

বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের প্রতিচ্ছবি

বাংলাদেশে নাগরিক সমাজকে ঠিকভাবে বোঝার জন্য আমাদের ইতিহাস, রাজনীতি এবং মানুষের মানসিক গঠনের দিকে তাকাতে হবে। এই দেশে “ক্ষমতা” শব্দটি বহু মানুষের কাছে এক ধরনের ভয়, সন্দেহ আর শোষণের প্রতীক। এই মনোভাব শুধু ব্রিটিশ উপনিবেশ বা পাকিস্তানি সামরিক শাসনের কারণে গড়ে ওঠেনি—এর গভীরে রয়েছে জমিদার-মহাজনদের হাত ধরে জমি হারানোর কষ্ট, নিঃশব্দ শোষণ, আর বিচারহীনতার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা।

এই জাতীয় মানসিকতা আমাদের সাংস্কৃতিক চেতনায় কতটা গভীর, তা বোঝা যায় আশির দশকের শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত জনপ্রিয় নাটক ‘সংশপ্তক’-এর ‘মিয়া বেটার’একটি বিখ্যাত সংলাপে: “টাকা আমার চাই, নইলে জমি”— এই কথাটি শুধু একটি নাট্য সংলাপ ছিল না, বরং এটি এক ধরনের জাতীয় প্রতীক হয়ে উঠেছিল। এটি যেন সেইসব সহজ-সরল ও খেটে খাওয়া মানুষের চিৎকার, যারা জীবনের বাস্তবে কখনো জমি হারিয়েছেন, কখনো সম্মান, কখনো ন্যায়বিচার। 

এই কারণে বাংলাদেশের মানুষ ভোটকে শুধু একটি রাজনৈতিক অধিকার হিসেবে দেখে না, বরং এক ধরনের চরম প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে মনে করে। তারা ভাবে, এই একটি দিনেই তারাই হচ্ছে দেশের আসল “মালিক” — যার মাধ্যমে তারা শাসককে জবাব দিতে পারে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই ভোটই বহুবার ছিনতাই হয়েছে। সেই সময়, নাগরিক সমাজের একটি বড় অংশ অনেক সময় নীরব থেকেছে—চুপচাপ দেখে গেছে। এখনো ২০২৫ সালে এসেও তারা খুব চাতুরতার সাথে সংস্কার নাকি ভোট এবং গোটা দেশজুড়ে এক ধরনের ফুলানো-ফাঁপানো গাল গপ্পো ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে। 

১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের পর দেশে যখন নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হয়, তখন উন্নয়ন সংস্থা, গণমাধ্যম, গবেষক ও সচেতন নাগরিকদের একটি গোষ্ঠী “নাগরিক সমাজ” নামে রাষ্ট্র ও সমাজে একটি বিকল্প বুদ্ধিবৃত্তিক ভাষা গঠনে সক্রিয় হয়। তারা সুশাসন, জবাবদিহিতা ও মানবাধিকার নিয়ে কথা বলেছিল, এবং অনেক ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ইস্যুতে জনমত তৈরি করেছিল। কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যায়—এই নেতৃত্বের অধিকাংশই এসেছে শহুরে, শিক্ষিত, মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত এলিট শ্রেণি থেকে। বাস্তব জীবনের প্রান্তিক মানুষ — কৃষক, প্রবাসী শ্রমিক, গার্মেন্টস শ্রমিক, ভূমিহীন, কিংবা জাতিগত সংখ্যালঘুরা—এই নাগরিক সমাজের নেতৃত্ব কাঠামোয় কোনো জায়গা পাননি।

এই সমাজচিত্র অনেকটাই ছিল 'উপরে থেকে নিচে' ধরনের—যেখানে নেতৃত্ব দাবি করেছে জনগণের পক্ষ হয়ে কথা বলার, কিন্তু বাস্তবে তারা ছিলেন উন্নয়ন সংস্থা, বিদেশি দাতা বা সরকার-ঘনিষ্ঠ নেটওয়ার্কের অংশ। তারা যখন সুযোগ পেয়েছেন, তখন শুধু প্রতিক্রিয়াশীল অবস্থানে থাকেননি, বরং নিজেরাও রাষ্ট্রক্ষমতার অংশে উঠে এসেছেন। ১৯৯০ সালের প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রতিটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়েই আমরা নাগরিক সমাজের নানা প্রতিনিধি, বিশেষজ্ঞ ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের নীতিনির্ধারকের আসনে বসতে দেখেছি। 

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল নাগরিক সমাজ আরেকটি মোড় নেয়। তখন দেখা যায়, কিছু নাগরিক সমাজ নেতা ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠান মিলে ‘ভবিষ্যতের রাষ্ট্র’ ভাবনার নামে একটি বিকল্প শাসন কাঠামো নির্মাণে তৎপর হয়। তাদের ভাষ্য ছিল ‘সুশাসন’, ‘দুর্নীতিবিরোধীতা’, ‘দক্ষতা’, ‘জবাবদিহি’— কিন্তু বাস্তবে নাগরিক সমাজের একটি অংশ তৎকালীন সরকারকে অযোগ্য ও দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে উপস্থাপন করে নিজেরাই ক্ষমতা ভাগীদার হওয়ার পরোক্ষ চেষ্টা করেছিল।

এই প্রচেষ্টার পেছনে ছিল একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক সমীকরণ—যেখানে ভারতের মধ্যস্থতায় একটি 'সেক্যুলার শক্তি' প্রতিষ্ঠার ধারণা কাজ করছিল। এই সমীকরণই শেষ পর্যন্ত ২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেন ঘটনার পথ তৈরি করে দেয়। এই প্রবণতা ২০০৯ সালের পর আরও গভীর ও পরিপক্ব হয়ে ওঠে। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায়ন এসে নানা সীমালঙ্ঘন, ভোট কারচুপি এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের দমন শুরু করে। এই দীর্ঘ সময়ে নাগরিক সমাজের একজন-দুজন ব্যতিক্রম ছাড়া কেউ রাষ্ট্রের সীমা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস দেখায়নি। এর প্রধান কারণ ছিল—কেউ কেউ ভীতু, সুযোগ সন্ধানী, জাতীয় পুরস্কার ও পদ-পদবি পাওয়ার লোভ  কিংবা বিদেশি সংস্থার আনুকূল্য পাওয়ার আশায় চুপ থেকে ছিল। 

২০২৪-এর পর নাগরিক সমাজ

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যখন ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকার দেশ থেকে পালিয়ে যাবার পর ক্রান্তিকালীন সময়ে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়, সেখানে স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একদল নতুন নাগরিক সমাজ উপদেষ্টা হিসেবে আবির্ভূত হন। ড. ইউনূস এই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মুখ। গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তাঁর অবদান যেমন প্রশংসনীয়, তেমনি শেখ হাসিনার শাসনামলে তাঁর ভোগ করা রাষ্ট্রীয় হয়রানিও অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু এই দীর্ঘ নিপীড়নের পর তিনি যখন হঠাৎ করেই একাধিক সুবিধা—যেমন বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর লাইসেন্স, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমতি, করছাড়, এবং সরকারি প্রণোদনা—পেয়ে যাচ্ছেন, তখন আমার ক্লাসে ছাত্র ছাত্রীরা জানতে চেয়েছিল: এই সুবিধাগুলো কীভাবে এলো, কেন এলো, এবং এর পেছনের নৈতিক ভিত্তি কী?

এটা স্বীকার করতে হয় যে, সবগুলি আমাদের দেশের উন্নয়নের জন্য খুবই প্রয়োজন এবং অনেক আগেই এগুলো ওনার পাবার অধিকার ছিল। দুঃখজনক হলো, এসব বিষয়ে ড. ইউনূস নিজে বা ইউনূস সেন্টার বা গ্রামীণ ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা আসেনি। অথচ একজন নোবেলজয়ীর কাছ থেকে জাতি স্বচ্ছতা আশা করে। কারণ এদেশের মানুষ ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুর মানুষগুলোকে খুব সন্দেহের চোখে দেখে। তারা চোখে দেখে, কে কোন সুযোগ নিচ্ছে, কেন নিচ্ছে, এবং সেই সুযোগের পেছনে কতটা স্বার্থ কাজ করছে।

এই প্রসঙ্গে আমরা ইতিহাস স্মরণ করি—১৯৯০ সালে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ছিলেন। পরে তাঁকে আবার প্রধান বিচারপতি হিসেবে ফিরিয়ে আনতে সংবিধান পরিবর্তন করতে হয়েছিল। সেই সময় আইনজ্ঞ, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন—এটা কি সাংবিধানিক স্বার্থ রক্ষার নাম করে ব্যক্তি-স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া নয়? আজ ড. ইউনূস বা তাঁর সহযোগীরা যে সুবিধাগুলো নিচ্ছেন, তার পেছনেও যদি একই ধরনের ব্যক্তি-কেন্দ্রিক নৈতিক দ্বিধা থাকে, তাহলে এটাই কি আবারও সেই একই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি নয়?

এই প্রশ্ন আরও তীব্র হয়ে ওঠে, যখন দেখা যায়—নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা যাঁরা অতীতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতো, এখন তারা নিজেদের ক্ষমতার আসনে বসে প্রতিবাদী কণ্ঠকে দমন করছেন। তার একটি উদাহরণ—নিকুঞ্জ-পান্থপথ এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের সময় গাছ কাটার প্রতিবাদ। সেখানেও নাগরিক সমাজের কিছু প্রতিনিধি গাছ কাটার বিরোধিতা করেছিলেন, কিন্তু সেই আন্দোলনকে ‘উন্নয়নবিরোধী’ বলে দমন করা হয়, এমনকি সরকারি উপদেষ্টা পরিষদের একজনের অফিস থেকে হুমকিও আসে। সমাজে এখন নারীদের প্রতি যে বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে সেখানেও আমরা উপদেষ্টাদের অনেককে নীরব ভূমিকা পালন করতে দেখছি। কিন্তু কেন, কীসের স্বার্থে ,  কার সাথে তারা আপস করছে? 

ডিজিটাল নাগরিক সমাজের উত্থান

এই আপস আমরা দেখতে পাই ইউটিউবার, ফেসবুক অ্যাক্টিভিস্ট, কনটেন্ট ক্রিয়েটর, এবং উচ্চশিক্ষিত ইসলামিক আলেম সমাজ—তাদের অনেকেই সমাজে পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন। কিন্তু একই সঙ্গে আমরা দেখি, কেউ কেউ নিজের কথাকে একমাত্র সত্য বানিয়ে তুলছেন, উত্তেজনা ছড়াচ্ছেন, এক ধরনের 'মব' তৈরি করছেন, এবং অতীতে যে ভুলের কারণে ফাঁসি, গুম, বা অন্যায় ঘটেছে—তা আবারো পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা তৈরি করছেন। এসব দেখে খুব কষ্ট লাগছে যে, সম্ভাবনাময় একটা জায়গা থেকে যেখানে একটা পরিশুদ্ধ নাগরিক সমাজ গড়ে ওঠার কথা, সবাই মিলে গলাটিপে সে জায়গাটাকে কীভাবে শেষ করে দিচ্ছে।

আমার এই লেখার মূল বক্তব্য আসলে আমার এক ধরনের আত্ম উপলব্ধি। পাঠকদের অনুরোধ করবো আমার লেখাটা এড়িয়ে যেতে । কারণ এই সমাজে, যতক্ষণ তুমি কোনো সুযোগ পাও না—ততক্ষণ তুমি ভালো; সুযোগ পেলে আমি কতটা বদলে যাবে, সেটা আমি নিজেও জানি না। আমরা দেখেছি, ২০০৯ সালে একজন জানি না পন্থী ব্যক্তিকে মন্ত্রী বানানো হয়েছিল। তখন টিভিতে দেখানো হতো, উনি কতটা সাদামাটা জীবনযাপন করেন, তাঁর ঘরে ফার্নিচার নেই। কিন্তু পরে পত্রিকায় বের হলো—উনার পরিবারের নামে দুর্নীতির মাধ্যমে পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দ হয়েছে। এটাই বাস্তবতা।

এই উপলব্ধি আমাদের ভাবায়: ৬০, ৭০, ৮০, ৯০ দশকের নাগরিক সমাজ বা বুদ্ধিজীবীদের দিয়ে আমরা কি সত্যিই আগামী বাংলাদেশ গড়তে পারব? তারা কি এখনও প্রাসঙ্গিক? তাদের ভূমিকা কতটুকু কার্যকর? আমরা হয়তো অপেক্ষায় আছি—সাংবাদিক নুরুল কবির, মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলমদের মতো নতুন চিন্তার, নতুন নৈতিকতার, নতুন ভাষার কোনো নাগরিক নেতৃত্বের।

আর যদি তারা না আসে, তাহলে হয়তো আমাদের তাকিয়ে থাকতে হবে Z বা পরবর্তী প্রজন্মের দিকে—যাদের মধ্য থেকে একদিন উঠে আসবে এক সৃজনশীল, নির্ভীক, এবং গণমুখী নাগরিক সমাজ, যা শুধু সরকারের বিকল্প নয়, জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি হয়ে দাঁড়াবে।

লেখক : মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শিকদার

শিক্ষক ও গবেষক, রাষ্ট্র ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়

Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন