Logo
Logo
×

সংবাদ

স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আমরা ৩১ দফা দিয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী

Icon

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম

স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আমরা ৩১ দফা দিয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যখন স্বৈরাচারের ভয়ে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল ‘সংস্কার’ এর ‘স’ শব্দটিও উচ্চারণ করার সাহস পায়নি, তখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি দিয়েছিল।  কারণ আমরা দেখেছিলাম কীভাবে গত ১৬ বছরে দেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যাংকিং ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মেগা প্রজেক্টের নামে কেবল লুটপাট আর দুর্নীতি করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে বগুড়ার ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে আয়োজিত এক বিশাল তিনি এসব কথা বলেন। 

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা সফরে আসা তারেক রহমান বিকেল পৌনে ৬টায় স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে জনসভা মঞ্চে উপস্থিত হন। এই সফরেই তিনি বগুড়াকে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

জনসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্ট দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। জনগণের পক্ষ থেকে আমরা আমাদের স্বচ্ছ প্রস্তাবনা সেখানে জমা দিয়েছি। আমরা সবসময় বলি, আমরা যা করব স্বচ্ছভাবে করব, কোনো লুকোচুরি নেই। গণতন্ত্রে মতের পার্থক্য থাকবেই, কিন্তু আমাদের লক্ষ্য দেশের মানুষের উন্নয়ন।

দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি আপনাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে তার প্রত্যেকটি কাজ শুরু করেছি। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মোয়াজ্জিনদের সম্মানীর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এসব কাজ বাস্তবায়ন হলে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।

অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান নিয়ে তারেক রহমান আরও বলেন, স্বল্প খরচে দেশের তরুণ সমাজের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে আমরা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি। ইনশাআল্লাহ, শিগগিরই আপনারা সুখবর পাবেন। 

এ ছাড়াও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিখ্যাত ‘খাল খনন কর্মসূচি’ আমরা আবার দেশব্যাপী শুরু করব। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে, যাতে কৃষকের ফসল রক্ষা পায় এবং খরা মৌসুমে পানির অভাব না হয়।

বগুড়ার স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। এ ছাড়া স্থানীয় কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানির জন্য বগুড়া বিমানবন্দরকে কার্গো বিমান ওঠানামার উপযোগী করে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। সেই সাথে নবঘোষিত সিটি করপোরেশনকে একটি পরিকল্পিত ও নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার আশ্বাস দেন।

Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন