তেলের দাম বিশ্ববাজারে দ্বিগুণ বাড়লেও আমরা সামান্য বাড়িয়েছি: মন্ত্রী
প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
সরকার বাধ্য হয়ে তেলের দাম বাড়িয়েছে বলে জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, এটা করতে আমরা বাধ্য হয়েছি। কারণ, এটা বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে কিনতে হয় এবং আমরা যেন সহনীয় লেভেলে থাকতে পারি, সেই ব্যবস্থা করেছি। আজ রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা জানান।
এক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘সারা বিশ্ব তেলের দাম অ্যাডজাস্ট করেছে। এমনকি আমেরিকাও ৫ ডলার বাড়িয়ে দিয়েছে। সেখানে বাংলাদেশে ইমপোর্ট করে যে স্টক তৈরি করেছি, তার যে দাম পড়েছে, সেই দামের চেয়ে নিচেই আমরা এখন প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট করছি।’
নতুন মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেলেও সরকার জনগণের কথা বিবেচনা করে তুলনামূলকভাবে খুবই সামান্য দাম সমন্বয় করেছে।
সরকার জনগণের স্বস্তির কথা ভাবছে জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা জনগণের স্বস্তির কথা চিন্তা করেই পরিস্থিতির তুলনায় অনেক কম দাম বাড়িয়েছি। সরকার ভর্তুকি প্রদান অব্যাহত রেখে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। মূলত জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার এই বিশাল বাড়তি ব্যয়ের একটি বড় অংশ নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে এবং অত্যন্ত সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
ইরান যুদ্ধের পর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যায়। এর ছোঁয়া লাগল বাংলাদেশেও। দীর্ঘদিন মূল্য স্থিতিশীল রাখার নীতিতে অটল থাকলেও, পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। আজ থেকে নতুন এই বর্ধিত মূল্য কার্যকর হয়েছে।
