দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ, রংপুর, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জ জেলায় এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়, যেখানে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ময়মনসিংহ ও রংপুরে দুজন করে, এবং নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জে একজন করে প্রাণ হারিয়েছেন।
সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ প্রাণহানি
জেলার ধর্মপাশা, তাহিরপুর, দিরাই ও জামালগঞ্জ উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজন নিহত হন। তারা হলেন নূর জামাল (২৫), হবিবুর রহমান (২২), রহমত উল্লাহ (১৪), লিটন মিয়া (৩৩) ও আবুল কালাম (২৮)।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে কালবৈশাখী শুরু হলে আকস্মিক বজ্রপাত ঘটে। এ সময় কেউ ধান কাটতে, কেউ বাড়ির কাজ করতে বা খামারে কাজ করার সময় বজ্রপাতে নিহত হন।
হবিগঞ্জে কৃষকের মৃত্যু
হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে সুনাম উদ্দিন (৬০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
ময়মনসিংহে দুইজন নিহত
ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর ও গফরগাঁও উপজেলায় বজ্রপাতে রহমত আলী উজ্জ্বল (৩০) ও মমতাজ আলী খান (৫৮) মারা যান।
কিশোরগঞ্জে হাওরে প্রাণহানি
কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে হলুদ মিয়া (৩৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
নেত্রকোনায় ঘাস কাটতে গিয়ে মৃত্যু
নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলায় গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আলতু মিয়া (৬৫) নিহত হন।
রংপুরে ২ নিহত, আহত ৮
রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় বজ্রপাতে মিলন মিয়া (৩৬) ও আবু তালেব (৫৭) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও আটজন আহত হয়েছেন এবং তাদের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
