মজুত পর্যাপ্ত আছে, এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের সংকট হবে না: জ্বালানি বিভাগ
দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী আমদানি অব্যাহত থাকায় এপ্রিল মাসে কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। তবে পাম্পে সাময়িক চাপের পেছনে ‘প্যানিক বায়িং’ (আতঙ্কিত হয়ে কেনা) ও মজুদ প্রবণতাকে দায়ী করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে জ্বালানি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, আমি হিসাব করে দেখেছি, আমাদের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। কোনো সংকট নেই। ডিজেলের ক্ষেত্রেও কোনো সমস্যা নেই। আমরা মাসভিত্তিক পরিকল্পনা অনুযায়ী আমদানি করছি। এপ্রিল মাস পুরোপুরি নিরাপদ।
মনির হোসেন চৌধুরী জানান, মজুত করা জ্বালানির মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে ডিজেল- ১ লাখ ২২ হাজার ৬৬০ মেট্রিক টন, যা মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশ। পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত থাকায় কৃষি, পরিবহন ও শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।
এছাড়া, অকটেনের মজুত রয়েছে ৯ হাজার ২১ মেট্রিক টন, যা ব্যক্তিগত যানবাহন ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিনের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট। পেট্রোলের মজুত ১২ হাজার ১৯৪ মেট্রিক টন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, জেট ফুয়েলের মজুত রয়েছে ৪১ হাজার ৮৭৬ মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েল ৫৮ হাজার ৭৩৬ মেট্রিক টন, কেরোসিন ৯ হাজার ৩৭৮ মেট্রিক টন এবং মেরিন ফুয়েল ১ হাজার ১৫৩ মেট্রিক টন।
যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বর্তমান মজুত দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত।

