Logo
Logo
×

সংবাদ

রাইড শেয়ারিং চালকদের জন্য মোটরসাইকেলে তেল নেওয়ার সীমা বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬, ১২:১৭ পিএম

রাইড শেয়ারিং চালকদের জন্য মোটরসাইকেলে তেল নেওয়ার সীমা বাড়ল

ছবি: সংগৃহীত

রাইড শেয়ারিং সেবায় নিয়োজিত মোটরসাইকেল চালকদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এখন থেকে রাইড শেয়ারিংয়ে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলগুলোতে দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ লিটার পর্যন্ত পেট্রোল বা অকটেন নেওয়া যাবে।

আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে নিয়মিত আমদানি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি প্রধান স্থাপনা থেকে রেল ওয়াগন ও ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে দেশের সব ডিপোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। জনগণের চাহিদা মেটাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ও বিপিসি যৌথভাবে জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনায় নতুন কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী— এখন থেকে রাইড শেয়ারিংয়ের সঙ্গে যুক্ত মোটরসাইকেল চালকরা দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ লিটার অকটেন বা পেট্রোল নিতে পারবেন।

যদিও বিজ্ঞপ্তিতে তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন- ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং অ্যাপে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে; ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ বা বিলের মূল কপি জমা দিতে হবে এবং সর্বশেষ মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও চালকের তথ্যাদি রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের সঙ্গে যাচাইপূর্বক জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল ক্রয়-বিক্রয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনত অপরাধ। জ্বালানি তেলের মূল্যের স্থিতিতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত দাম বজায় রাখা হয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। এ অবস্থায় দেশের সব ভোক্তা বা ফিল্ডারদের অর্পিত নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হলো।

এর আগে গত শুক্রবার বিপিসির এক নির্দেশনায় বলা হয়, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল।

স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বলছে, জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ফুরিয়ে যায়নি। তবে অনেকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে তেল কিনছেন।

Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন