ঢাকার বনশ্রীতে কিশোরীকে হত্যার ঘটনায় এক সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার
ঢাকার দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসা থেকে এক স্কুলপড়ুয়া কিশোরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় র্যাব একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, মিলন নামের ওই ব্যক্তি পেশায় হোটেল কর্মী। তাকে সোমবার ভোরে বাগেরহাট সদর থানার বড় সিংগা এলাকা থেকে আটক করা হয়।
শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ নামের একটি বাসা থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ১৭ বছর বয়সী এই কিশোরী রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
ঘটনার সময় কিশোরীর বাবা-মা ও ভাই গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জে অবস্থান করছিলেন। বড় বোন শোভা আক্তার দুপুরে ব্যায়ামের জন্য জিমে যান। বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে বাসায় ফিরে তিনি রান্নাঘরের মেঝেতে ছোট বোনকে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় শনিবার রাতেই নিহত কিশোরীর বাবা মো. সজিব খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা এক বা একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করা হলেও কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি।
পরিবারের পক্ষ থেকে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়, তাদের হোটেলের কর্মচারী মিলন এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে। কারণ সিসিটিভি ফুটেজে মরদেহ উদ্ধারের আগে তাকে বাসায় ঢুকতে দেখা গেছে।

