গ্যাস সরবরাহ কম, বোরো মৌসুমে ইউরিয়া সংকটের আশঙ্কা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) সরকারকে বলেছে, অন্তত চারটি সার কারখানা সচল রাখতে হবে। এজন্য প্রতিদিন প্রয়োজন হবে ১৯৭ এমএমসিএফডি গ্যাস। এই চাহিদা পূরণ না হলে দেশীয় ইউরিয়া উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হবে। ফলে আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়বে এবং কৃষিখাতে ভর্তুকির চাপও বৃদ্ধি পাবে।
ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়টিকে ইউরিয়ার সর্বোচ্চ চাহিদার সময় ধরা হয়। বোরো মৌসুমে চাহিদা প্রায় ১৫ লাখ টন, কিন্তু বর্তমান গ্যাস বরাদ্দে উৎপাদন হবে সর্বোচ্চ ১১ লাখ টন। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব নয়। ফলে উৎপাদন ঘাটতি মেটাতে সরকারকে আমদানি বাড়াতে হবে। টিবিএস-এর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
সরকার গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি সুপারিশ করেছে, চারটি কারখানা সচল রাখলে ১৮ লাখ টন উৎপাদন সম্ভব হবে। এজন্য প্রতিদিন প্রয়োজন ১৮০.৮১ এমএমসিএফডি গ্যাস। তবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) অনুমোদনে কেবল ১৪০ এমএমসিএফডি গ্যাস বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ দিয়ে উৎপাদন সম্ভব ৯.২৪ লাখ টন।
তবে সার উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হলেও খাদ্য নিরাপত্তায় প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বস্ত করেছেন উপদেষ্টা। ইউরিয়া আমদানি করে প্রয়োজন মেটানো হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

