Logo
Logo
×

সংবাদ

এক এনআইডিতেই শত শত মোবাইল ফোন নিবন্ধন: যা বলছে কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৪১ পিএম

এক এনআইডিতেই শত শত মোবাইল ফোন নিবন্ধন: যা বলছে কর্তৃপক্ষ

ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর অনেক ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে শত শত মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধিত থাকার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। একজনের নামে বিপুল সংখ্যক ফোন নিবন্ধনের এমন তথ্যে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে চরম বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

যদিও সরকার বলছে, মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে পাওয়া কয়েক বছরের পুরনো তথ্য বা ‘হিস্টোরিক ডেটা’ সিস্টেমে আপলোড করার সময় তারিখের জটিলতায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিটিআরসি ও মোবাইল অপারেটররা যৌথভাবে এই ত্রুটি সংশোধনে কাজ শুরু করেছে।

গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে গ্রাহকরা তাদের এনআইডির বিপরীতে কয়েক শ ফোন নিবন্ধিত থাকার তথ্য শেয়ার করছেন। 

এই বিভ্রান্তি ও কারিগরি অসংগতির বিষয়ে আইসিটি ও টেলিকম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অপারেটরদের কাছ থেকে প্রায় তিন বিলিয়নের বেশি ডেটা সেট পেয়েছি। অপারেটররা তাদের সিস্টেমে থাকা আগের সব ‘হিস্টোরিক ডেটা’ এই সিস্টেমে যুক্ত করেছে। কিন্তু ডেটা মাইগ্রেশনের সময় তারিখটি এখনকার (বর্তমান সময়ের) দেখানো হয়েছে বলে অনেকের এনআইডিতে সচল সিম বা হ্যান্ডসেটের সংখ্যা অস্বাভাবিক বেশি দেখাচ্ছে।

ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব আরও জানান, এনইআইআর সিস্টেমটি একদম নতুন কোনো ব্যবস্থা নয়। ২০২১ সালে এটি প্রথম চালুর চেষ্টা হয়েছিল। বর্তমান সরকার কিছু নতুন ফাংশনাল ফিচার যোগ করে সিস্টেমটিকে পুনরায় সচল করেছে।

একই এনআইডির বিপরীতে এত বেশি হ্যান্ডসেট দেখানোর পেছনে অতীতে সিম ব্যবহারের নীতিমালার প্রভাব রয়েছে বলে উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, বাংলাদেশে অতীতে একজন ব্যক্তির একটি এনআইডির বিপরীতে প্রথমে ২০টি এবং পরবর্তীতে ১৫টি পর্যন্ত সিম ব্যবহারের অনুমতি ছিল। বর্তমানে এই সংখ্যা ১০-এ নামিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। এনইআইআর ম্যাপিংয়ের সময় এনআইডির বিপরীতে পুরনো সব তথ্য মেলাতে গিয়ে হ্যান্ডসেটের সংখ্যা বেশি দেখানোটা স্বাভাবিক কারিগরি প্রক্রিয়া।

তবে গ্রাহকদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই জানিয়ে ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব বলেন বিটিআরসি এবং মোবাইল অপারেটররা যৌথভাবে এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। ধীরে ধীরে পুরনো ডেটাগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে আর্কাইভ করে সিস্টেমে প্রদর্শিত এই অসংগতিগুলো ঠিক করা হবে।

উল্লেখ্য, সরকারের এনইআইআর ব্যবস্থা চালুর মূল লক্ষ্য বাজারে অবৈধ ও চোরাই হ্যান্ডসেট শনাক্ত করা এবং গ্রাহকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন