Logo
Logo
×

সংবাদ

খালেদা জিয়ার শৈশবের প্রতিবেশী ভোলা মন্ডলের শোক

ডেস্ক রিপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৯ এএম

খালেদা জিয়ার শৈশবের প্রতিবেশী ভোলা মন্ডলের শোক

জলপাইগুড়ির ভোলা মণ্ডল। ছবি: এক্স/এএনআই

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি শহরের নয়াবস্তি এলাকায় জন্ম হয়েছিল খালেদা জিয়ার। তার শৈশবের উল্লেখযোগ্য সময় কেটেছিল সেই শহরেই। তার মৃত্যুসংবাদে শোকের ছায়া নেমে এসেছে জলপাইগুড়ির মানুষদের মাঝে।

জলপাইগুড়িতে খালেদার প্রতিবেশী ছিলেন ভোলা মণ্ডল। খালেদার জন্মস্থান ছিল ভোলাদের বাড়ির উল্টো পাশের জমিতে। ১৯৪৫ সালে সেখানেই জন্ম নেন তিনি। ভোলার ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা খালেদার শৈশব পরিচর্যায় যুক্ত ছিলেন।

মঙ্গলবার বেগম জিয়ার মৃত্যু সংবাদ শুনে স্মৃতিমেদুর হয়ে পড়েন ভোলা মণ্ডল। বর্তমানে তিনি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব। ভারতের বার্তা সংস্থা ‘এএনআই’-কে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘খবরটা শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি। তিনি আর আমাদের মাঝে নেই—এটা ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে। মানুষের মৃত্যু সবসময়ই দুঃখজনক। কিন্তু যার সঙ্গে শৈশবের স্মৃতি জড়িয়ে, সেই মানুষটি চলে গেলে শোকটা আরও গভীর হয়।’

ভোলা মণ্ডল জানান, দেশভাগের সময় খালেদার পরিবার জলপাইগুড়ি ত্যাগ করে বাংলাদেশে চলে যায়। যাওয়ার আগে অমরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী পরিবারের সঙ্গে সম্পত্তি বিনিময় করেন তারা। এরপর থেকে সেই বাড়ির মালিকানা চক্রবর্তী পরিবার পেয়েছে। যদিও বাড়িটি ছেড়ে তারা চলে গিয়েছিল, তবে খালেদার আত্মীয়-স্বজনেরা এখনও সময় পেলেই জলপাইগুড়িতে আসেন ভিটে দেখতে।

স্থানীয় প্রবীণরা জানান, খালেদা জিয়ার প্রাথমিক পড়ালেখার হাতেখড়ি হয়েছিল জলপাইগুড়িতেই। পরে তিনি দিনাজপুর সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এবং কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজেও পড়াশোনা করেন।

শৈশবে খালেদার ডাকনাম ছিল ‘পুতুল’। তার বাবা মোহাম্মদ ইসকান্দার ‘দাশ অ্যান্ড কোম্পানি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন, যা জলপাইগুড়িতে ব্যাংকিং ও শেয়ার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল। 

দীর্ঘদিনের অসুস্থতা শেষে মঙ্গলবার সকালে মারা যান দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন