এনটিএমসি বিলুপ্ত ও টেলিযোগাযোগ সংশোধন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি
ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করে নাগরিকদের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকারী বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ দ্রুত অনুমোদনের দাবি জানিয়েছেন দেশের ৯০ জনের বেশি বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষক, মানবাধিকার কর্মী, গবেষক ও সাংবাদিক। তারা বলেছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেন্দ্রিক নজরদারি কাঠামো পুনর্বহালের চেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী এবং এটি নাগরিক স্বাধীনতার জন্য গুরুতর হুমকি।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিচার, সংস্কার নির্বাচনের অংশ হিসেবে আইন ও নীতিমালা সংস্কারের কাজ চলছে। নতুন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও বিদ্যমান আইনের সংশোধনের ক্ষেত্রে অংশীজনদের অংশগ্রহণ থাকলেও মতামত উপেক্ষা করে চলেছে।
গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সাথে সঙ্গতি রেখে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ প্রকাশ করে। কারণ ইন্টারনেট বন্ধের ক্ষমতা স্থায়ীভাবে বিলোপ এবং নজরদারি কাঠামোতে বড় ধরনের সংস্কারের প্রস্তাব দিয়ে ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ এর খসড়া প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
দীর্ঘদিন ধরেই মানবাধিকার লঙ্ঘন, অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত নজরদারি ও গুমের অভিযোগে সমালোচিত ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) অপরাধসমূহের সম্পূর্ণ বিবরণ এসেছে আদালত ও সরকার কর্তৃক ঘটিত গুম সংক্রান্ত কমিশন অফ ইনকোয়ারি থেকেও। সেই কারণে এনটিএমসি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার প্রস্তাব এসেছে। অথচ দুঃখজনক বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ ২০২৫ -এর সংশোধিত খসড়াটি ১২ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভায় পেশ করা হলেও অনুমোদন পায়নি।
আমরা গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) বিলুপ্তি নিয়ে সরকারের মধ্যেই দুই মত দেখা দিয়েছে। রাষ্ট্র এই নজরদারি রোধে ব্যাপক সংস্কার প্রবর্তনের পরিকল্পনায় পিছিয়ে এসেছে। এবং নাগরিকদের ন্যূনতম অংশগ্রহণ ও মতামত ছাড়াই গত ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে এনটিএমসি এর তিনটি নতুন নামের প্রস্তাবসহ একটি খসড়া আইন প্রস্তুত করা হয়েছে। সেগুলো হলো, 'বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন সাপোর্ট ডিপার্টমেন্ট', 'ডিপার্টমেন্ট অব বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন সাপোর্ট' এবং 'টেলিকমিউনিকেশন রিসার্চ অ্যান্ড সাপোর্ট ডিপার্টমেন্ট'। জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির নজরদারি আরও শক্তিশালী করার জন্য এই আইনের খসড়া তৈরি করেছে এনটিএমসি।
এরপর ১৭ নভেম্বর আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় একটি সংস্থার প্রধান দাবি করেন, তাদের মনিটরিং সার্ভিলেন্স দুর্বল করা হচ্ছে। এতে নাকি জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড তদারকি করা কঠিন হয়ে যাবে। এরপর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ ২০২৫ বিষয়ে একটি সভা আহ্বানের নির্দেশ দেন।
এবং প্রকাশিত খসড়ার কমপক্ষে দুটি নাগরিক সুরক্ষা সরিয়ে ফেলে আগামী সপ্তাহে আরেকটি নতুন খসড়া উপস্থাপন করা হবে। যা আসলে নাগরিকদের সাথে আলাপ আলোচনা ছাড়াই করা হচ্ছে। নজরদারির মত একটি স্পশর্কাতর বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হতে চাচ্ছে, যা নাগরিকদের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং হাসিনা আমলের নজরদারি ক্ষমতা পুনরায় চালু হবার বাস্তবতা তৈরি করবে।
আড়িপাতা ও নজরদারির ক্ষমতা কার হাতে থাকবে, কোন সংস্থাগুলো আড়িপাতার অনুমোদন পাবে এবং তদারকি করবে এবং ক্ষমতার বন্টন কেমন করে নিরূপণ হবে, তা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। যা ভয়ঙ্কর হাসিনার দিনগুলির কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
প্রথমত, মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত প্রস্তাবিত খসড়াটিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাধ্যতামূলক করার বিধানগুলি ছিল এবং নজরদারি করবার অনুরোধ, অনুমোদন এবং প্রত্যাখ্যানের পরিসংখ্যান সম্বলিত বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তা না করে নতুন প্রস্তাবিত গোপন খসড়াটিতে শুধুমাত্র সংসদে প্রতিবেদনের একটি সাধারণ রেফারেন্স থাকছে এবং পূর্ববর্তী সংশোধিত অধ্যাদেশটি থেকে জনসাধারণের নিকট প্রতিবেদন উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, পূর্ববর্তী খসড়ায় নাগরিক, বিচারক, সাংবিধানিক সংস্থার সাথে যুক্ত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আধা-বিচারিক কাউন্সিলের বিধান ছিল। অথচ এখন শোনা যাচ্ছে, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ এই আধা বিচারিক কাউন্সিল চাচ্ছে না। এবং স্বরাষ্ট্র সচিবের সভাপতিত্বে শুধুমাত্র আইন মন্ত্রানালয়ের সচিব এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা সমন্বয়ে একটি কাউন্সিল থাকবে।
কাউন্সিলের সদস্যরা কত বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন এবং নিয়োগ ও পুনরায় নিয়োগ বা প্রতিস্থাপন নিয়েও প্রশ্ন আছে। কাউন্সিলকে সপ্তাহে কমপক্ষে দু 'বার বৈঠক করতে হবে। বৈঠকে আড়িপাতার আবেদনগুলি পর্যালোচনা করবে এবং সেগুলি অনুমোদন, সংশোধন বা প্রত্যাখ্যান কোন প্রক্রিয়ায় হবে, তা অস্পষ্ট।
তৃতীয়ত, অনেকগুলো অধ্যাদেশের ধারায় যোগাযোগ মাধ্যমের নজরদারি করবার ক্ষমতা প্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের কার্যক্রমের জবাবদিহির ব্যবস্থা হিসেবে বিচারিক তদারকির ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করবারও চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নেতৃত্বে পুরো মন্ত্রণালয় হাসিনার সরকারের মত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ কেও ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। -গণঅভ্যুত্থানের জোরে ক্ষমতায় বসে সেই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ব্যর্থ করতে এবং মানবতা বিরোধী অপরাধ করবার সুযোগকে প্রসারিত করতে এমন কাজ করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে গণঅভ্যুত্থান বিরোধী ভূমিকা থেকে সরে আসার আহ্বান জানাই।
আমরা তাই প্রধান উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাতে চাই, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ হাসিনর আমলে ফিরবে না।
তাই, ইন্টারনেট সংযোগ কোনো অবস্থাতেই বন্ধ, বিঘ্নিত বা সীমিত করা যাবে না।
হাসিনার কর্তৃক মানবতা বিরোধী অপরাধ ও নিপীড়নের সহযোগী জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) ভেঙে দিতে হবে।
এবং
অধ্যাদেশের ধারায় যোগাযোগ মাধ্যমের নজরদারি করবার ক্ষমতা প্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের বিচারের মুখোমুখি করার ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বহাল রাখা এবং নাগরিকদের অংশগ্রহণ ও মতামতসমূহ প্রাধান্য দিয়ে মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর খসড়াটি অনুমোদন দিতে হবে।
বিবৃতিদাতাদের নাম:
১. ইফতেখারুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক, টিআইবি।
২. আনু মুহাম্মদ, লেখক, অনুবাদক ও অর্থনীতিবিদ।
৩. সলিমুল্লাহ খান, লেখক, শিক্ষক ও দার্শনিক।
৪. নূর খান লিটন, মানবাধিকার কর্মি।
৫. মঈনুল আহসান সাবের, কথাসাহিত্যিক ও প্রকাশক।
৬. কামরুল হাসান মামুন, শিক্ষক।
৭. রাখাল রাহা, গবেষক, গল্পকার ও সম্পাদক।
৮. ফাহমিদুল হক, লেখক ও শিক্ষক।
৯. অরূপ রাহী। শিল্পী, গবেষক।
১০. রেজাউর রহমান লেনিন, মানবাধিকার কর্মি।
১১. জি এইচ হাবীব, শিক্ষক ও অনুবাদক।
১২. মাসকাওয়াথ আহসান: প্রবাসী সাংবাদিক ও শিক্ষক।
১৩. কাজল শাহনেওয়াজ, কবি।
১৪. জিয়া হাশান, কথাসাহিত্যিক।
১৫. সায়েমা খাতুন, সায়েমা খাতুন, প্রবাসী লেখক ও নৃবিজ্ঞান গবেষক।
৭৮. মির্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯. অধ্যাপক রিদওয়ানুল হক, সাবেক অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬. পারভেজ আলম, লেখক, গবেষক ও অ্যাক্টিভিস্ট।
১৭. আর রাজী, সম্পাদক ও শিক্ষক।।
১৮. মেঘমল্লার বসু, ছাত্রনেতা।
১৯. আরিফ রহমান, গবেষক।
২০. সাদিক মাহবুব ইসলাম, রাজনৈতিক বিশ্লেষক
২১. মুরশীদ সেলিন, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও একটিভিস্ট।
২২. ড. মারুফ মল্লিক, কলামিস্ট।
২৩. ফেরদৌস আরা রুমী, লেখক ও অধিকার কর্মী
২৪. আরিফ রেজা মাহমুদ টিটো, লেখক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী।
২৫. ফারুক সাদিক। লেখক, প্রকৌশলী, রাজনৈতিক কর্মী।
২৬. চিনু কবির, কবি ও সংগঠক।
২৭. আরিফ নূর, সংস্কৃতি কর্মী।
২৮. আহমেদ মওদুদ, কবি ও গল্পকার।
২৯. মাসউদ ইমরান মান্নু, শিক্ষক।
৩০. আবু বক্কর মঈন, রাজনৈতিক কর্মী।
৩১. রুদ্রাক্ষ রায়হান, কবি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
৩২. পুলিন বকসী, লেখক ও গবেষক।
৩৩. আসিফ বিন আলী, ডক্টরাল ফেলো, জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।
৩৪. অনুপম দেবাশীষ রায়, চীফ এডিটর, মুক্তিপত্র।
৩৫. আরিফুজ্জামান তুহিন, সাংবাদিক।
৩৬. রিয়াজ খান, সংগঠক।
৩৭. মাওলানা শফিকুর রহমান, পরিচালক -মাদরাসাতুল ফুনূন আল ইসলামিয়্যা ঢাকা।
৩৮. মনজিলা ঝুমা, আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট।
৩৯. কাজী রাকিব হোসাইন, সিইও, দ্য বাংলাদেশ ডায়লগ
৪০. মীর হুযাইফা আল মামদূহ, গবেষক।
৪১. আরিফ হাসান বাণী, প্রকৌশলী।
৪২. আনিস রায়হান, লেখক ও গবেষক।
৪৩. শর্মি হোসেন, শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
৪৪. টিনা নন্দী
গবেষক, শিক্ষক
৪৫. ড. খোরশেদ আলম
সহযোগী অধ্যাপক
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪৬. রুহী নাজ, আইনজীবী ও গবেষক
৪৭. মো: মোস্তফা হুছাইন, সহকারী অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি
৪৮. আহমেদ স্বপন মাহমুদ, কবি ও গবেষক
৪৯. আফরোজা সরকার দৈনিক ডেসটিনি, মফস্বল সম্পাদক।
৫০. রায়হান কবীর, আইনজীবী।
৫১. আব্দুল্লাহ নাদভী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি।
৫২. শামীম আরা শিউলী, গণমাধ্যম উন্নয়নকর্মী
৫৩. মনোরম পলক, লেখক, সাংবাদিক
৫৪. সিরাজুম মুনিরা, সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।
৫৫. ড: সাবরিনা আহমেদ, গবেষক।
৫৬. আবুল কালাম আল আজাদ, লেখক ও এক্টিভিস্ট।
৫৭. কামরুল আহসান, লেখক ও অনুবাদক।
৫৮. খন্দকার সুমন, চলচ্চিত্রকার।
৫৯. রাহাত মুস্তাফিজ, লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট।
৬০. সাদিক মো. আলম, প্রকৌশলী ও তথ্য প্রযুক্তি উদ্যোক্তা
৬১. গৌরাঙ্গ হালদার, লেখক ও অনুবাদক।
৬২. বুলবুল সিদ্দিকী,, অধ্যাপক, রাজনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩. উর্মি শর্মা, গবেষক ও সাংবাদিক
৬৪. শারমিন খান, মানবাধিকার সুরক্ষায় আইনজীবী
৬৫. শাহনূর আক্তার উর্মি, সাংবাদিক
৬৬. নওজিন খান, গবেষক
৬৭. ড. মো ইমদাদুল হক খান, বিজ্ঞান গবেষক।
৬৮. সুদীপ্ত বিশ্বাস বিভূ, এক্টিভিস্ট।
৬৯. হাসান জামিল, সংবাদকর্মী।
৭০. দীপালি রায়, সংস্কৃতি কর্মি।
৭১. ধ্রুব সাদিক, সাংবাদিক।
৭২. অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, প্রধান নির্বাহী, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)।
৭৩. মারজিয়া প্রভা, এক্টিভিস্ট।
৭৪. তানিম কবির, কবি, কথাসাহিত্যিক ও প্রকাশক।
৭৫. জাকির হোসেন, প্রধান নির্বাহী নাগরিক উদ্যোগ।
৭৬. মোঃ আলমগীর কবির, প্রধান সমন্বয়ক, গ্রীন ভয়েস।
৭৭. পাভেল পার্থ, গবেষক ও লেখক
৭৮.মোশফিকুর রহমান জোহান, আলোকচিত্র শিল্পী
৭৯. আলমগীর আলম, খাদ্যপথ্য ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ।
৮০. আসবাবীর রাফসান, মূকাভিনেতা ও সংগঠক
৮১. তুহিন খান, কবি ও লেখক।
৮২. অধ্যাপক ড. আসিফ এম. শাহীন, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩. ছাদেক আহম্মেদ সজীবজনস্বাস্থ্য গবেষক ও রাজনীতিবিদ।
৮৪. শ্রাবণী আক্তার, সাব-এডিটর, বাংলা আউটলুক।
৮৫. জয়দীপ ভট্টাচার্য, চিকিৎসক।
৮৬. সামজীর আহমেদ, শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭. অমিত হাসান, গণমাধ্যম কর্মী।
৮৮. ফাহিম আহমদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল মধুর ক্যানটিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৮৯. রাইয়ান রাজী, শিক্ষক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০. লামিয়া ইসলাম, ছাত্রী, রাজনৈতিক কর্মী।
৯১. নাঈম আজিজ চৌধুরী, লেখক ও কম্পিউটার প্রকৌশলী।
৯২. মিজানুর রহমান খান, শিক্ষক।
৯৩. অলিউর সান, লেখক ও শিক্ষক, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ।
৯৪. নাহিদ হাসান, কবি, লেখক ও সংগঠক।

