জকসুর জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা
কারাগারের ১৫ মাসেও এতো বিপর্যস্ত হইনি, আমাকে নিয়ে নোংরামি বন্ধ করুন
খাদিজাতুল কুবরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। ২০২০ সালের অক্টোবরে অনলাইনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রচার ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগে কলাবাগান ও নিউমার্কেট থানায় তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়। এ মামলায় তিনি প্রায় ১৫ মাস কারাগারে ছিলেন।
এবার তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী হয়েছেন। এর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তাকে নিয়ে নোংরামি করা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
পোস্টে তিনি লেখেন, যতদিন পর্যন্ত আমি রাজনীতিতে আসিনি, ততদিন পর্যন্ত আমি ভালো ছিলাম। আর এখন একমাসেই আমার এতো দোষ, আমি খারাপ হয়ে গেলাম?
তিনি আরও লেখেন, এসেছিলাম পরিবর্তন করতে। কিন্তু, এইসব নোংরামির কারণে বুঝতে পারছি কেনো মেয়েরা এই সেক্টরে আসে না বা আসতে চায় না। অনলাইনে ফেক আইডি, স্লাট শেমিং, বট আইডি, ব্যাশিং সবকিছুই না হয় বুঝলাম। মেনেও নিলাম। কিন্তু, সাংবাদিকরা? একেকজন কল দিয়ে এতো মিথ্যা অপবাদ, উল্টাপাল্টা প্রশ্ন আর মানসিক প্রেসার নিতে পারছি না।
খাদিজা লেখেন, সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একজন কল দিয়ে যখন কথায় পারে না, শুনি পাশ থেকে আরেকজন শিখিয়ে দিচ্ছে! এসময় তিনি সাংবাদিকদের লিবারেল থাকার আহ্বান জানান। নির্দিষ্ট কোনো দলের হয়ে কাজ না করার অনুরোধও করেন তিনি।
তিনি বলেন, ১৫ মাস কারাগারে থেকেও এতোটা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হইনি, যতটা গত কিছু দিনে হয়েছি। আমি কারও সঙ্গে কখনও খারাপ কিছু করিনি। আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা আমাকে নিয়ে নোংরামি করিয়েন না প্লিজ! 'এসব লোকদের ব্যাপারে স্টেপ নেয়ার কি কেউ নেই' বলে স্ট্যাটাস শেষ করেন খাদিজা।

