Logo
Logo
×

সংবাদ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা থাকবে কি না, চূড়ান্ত রায় আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৪০ এএম

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা থাকবে কি না, চূড়ান্ত রায় আজ

১৯৯৬ সালে দেশের রাজনীতিতে বড় এক পরিবর্তন আনে ত্রয়োদশ সংবিধান সংশোধনী। এর মাধ্যমে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে যুক্ত হয়।

তবে এই সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে পরে। ২০১১ সালে আপিল বিভাগ এক রায়ে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে। সেই রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আবেদনের চূড়ান্ত রায় আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণার জন্য নির্ধারিত রয়েছে।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বিভাগ এই রায় দেবেন। অন্য সদস্যরা হলেন—বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

ত্রয়োদশ সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ কয়েকজন একটি রিট আবেদন করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্টের একটি বিশেষ বেঞ্চ রায় দিয়ে সংশোধনীটিকে বৈধ ঘোষণা করে। অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহাল থাকে।

তবে ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীরা। সেই আপিলের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ২০১১ সালের ১০ মে রায় দেন। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে (৪:৩) সংশোধনীটি বাতিল করে।

এই রায়ের পর ২০১১ সালেই আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আনেন, যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল হয়।

তবে এর আগেই—১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন। আর ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচন হয় রাজনৈতিক সমঝোতায় গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে। সেই সরকারের প্রধান ছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ, যিনি সে সময় প্রধান বিচারপতির পদ ছেড়ে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন।


Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন