Logo
Logo
×

সংবাদ

সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করব: জামায়াতের নায়েবে আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ০২:৩৬ পিএম

সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করব: জামায়াতের নায়েবে আমির

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, সরকার ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছে, কিন্তু গণভোটের তারিখ এখনো জানায়নি। তাঁর দাবি, নির্বাচনের আগে অবশ্যই গণভোট দিতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর পল্টন মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল–পূর্ব সমাবেশে তিনি বলেন, ‘সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করব।’

এর আগে জামায়াতসহ আটটি রাজনৈতিক দল পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। তাদের দাবি—জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি, নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজন, এবং নির্বাচনের আগে গণভোট সম্পন্ন করা।

তাহের বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও গণভোট করা সম্ভব, এতে কোনো আইনি বাধা নেই। এ নিয়ে দেরি করলে সরকারই বিপদে পড়বে। তিনি বলেন, ‘গণভোটে টাকার অভাব হবে না। এক দিনের চাঁদাবাজির টাকায় একটা গণভোট হয়।’

জামায়াত নেতা জানান, আলোচনার জন্য তাদের পক্ষ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং অন্য দলগুলোকেও একই কাজের আহ্বান জানানো হয়েছে। সকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ফোনে না পেলেও আবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হবে বলেও তিনি জানান।

তাহের বলেন, ‘রাজনৈতিক হিংসা নয়, এখন দরকার আলোচনার। বড় দলগুলো বসে জুলাই সনদ ও নির্বাচন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাক। টেলিভিশনে জাতির সামনে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে—ভোটকেন্দ্র দখল হবে না। যে দখল করবে, তার কেন্দ্রের ভোট বাতিল হবে।’

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে তা বাতিল করে নতুন নির্বাচন দিতে হবে। প্রহসনের নির্বাচন দেশকে অন্ধকারে নিয়ে যাবে।

নির্বাচনে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের কাছে আহ্বান জানান তিনি। বলেন, ১১ নভেম্বর ঢাকা হবে ‘জনতার নগরী’, সেদিন হবে ‘চলো চলো, ঢাকা চলো’ কর্মসূচি।

সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘যেদিনই নির্বাচন হোক, গণভোট আগে দিতে হবে।’

অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন জামায়াতের হামিদুর রহমান আযাদ, খেলাফত মজলিসের আহমদ আলী কাসেমী, খেলাফত আন্দোলনের ইউসুফ সাদিক হক্কানী, নেজামে ইসলাম পার্টির মুসা বিন ইযহার, এবং জাগপার রাশেদ প্রধান।

সমাবেশ শেষে পল্টন থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। সেখানে স্লোগান ওঠে—‘সংস্কার ছাড়া নির্বাচন, মানি না মানব না’, ‘গণভোটের তারিখ, দিতে হবে দিয়ে দাও’।

পরে পুলিশ মৎস্য ভবনের সামনে মিছিলে বাধা দেয়। এর পর আট দলের নয় নেতা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেন।


Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন