জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তিনটি দাবি পূরণ না হলে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে না। এনসিপির এমন সিদ্ধান্তকে ‘দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্থাপিত কমিশনের কার্যালয়ে আজকের পত্রিকাকে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারি, এটা একটি রাজনৈতিক অবস্থান। তবে এখনো আমরা আশাবাদী, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা (এনসিপি) সনদে স্বাক্ষর করবে।’
এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে জুলাই সনদের বিষয়ে তিনটি দাবি তুলে ধরেন আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সেগুলো হলো—জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ‘টেক্সট’ এবং গণভোটের প্রশ্নটি চূড়ান্ত করে আগেই জনগণের কাছে প্রকাশ করতে হবে; জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায়ের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস জারি করবেন; গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যদি জুলাই সনদে রায় দেয়, তবে ‘নোট অব ডিসেন্ট’-এর কোনো কার্যকারিতা থাকবে না। গণভোটের রায় অনুযায়ী আগামী নির্বাচিত সংসদ তাদের ওপর প্রদত্ত সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে। সংস্কারকৃত সংবিধানের নাম হবে ‘বাংলাদেশ সংবিধান-২০২৬’।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, সনদ স্বাক্ষরের বিষয়ে এনসিপির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করা হবে। একই সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন উইংয়ের মাধ্যমে দলটিকে বোঝানোর চেষ্টা করা হবে।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্ত হলো, স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পরই দ্রুত বাস্তবায়নের সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে।

