Logo
Logo
×

সংবাদ

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তৃতীয় দিনে শহীদ মিনারে

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৫৫ এএম

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তৃতীয় দিনে শহীদ মিনারে

এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা বাড়ি ভাড়ার ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ নির্ধারণের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান করছেন ।

এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে তারা জানিয়ে দিয়েছেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় তারা সচিবালয়ের দিকে পদযাত্রা করবেন। এ কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মার্চ টু সচিবালয়’।

এই কর্মসূচি চলছে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’ ব্যানারে।

অন্যদিকে, একই দাবিতে সারাদেশের শিক্ষক-কর্মচারীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি পালন করছেন।

জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, ‘দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না। বাড়ি ভাড়ার ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ, চিকিৎসা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ করতে হবে—এই প্রজ্ঞাপন জারি না হলে অবস্থান চলবে।’

প্রসঙ্গত, গত রোববার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছিলেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। পুলিশের অনুরোধে তারা পরে সরে যান শহীদ মিনারে।

তবে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ প্রেস ক্লাবের সামনেই অবস্থান চালিয়ে যান। পুলিশ বারবার অনুরোধ করলেও তারা সরে যাননি। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষকদের বাকবিতণ্ডা হয়। তখন পুলিশ জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড এবং লাঠিপেটার মাধ্যমে সড়ক থেকে শিক্ষকদের সরে যেতে বাধ্য করে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার থেকে দেশের সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়।

এর আগে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়ার ভাতা বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে। তবে ৫ অক্টোবর এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষকরা তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং নতুন করে আন্দোলনের ডাক দেন।

পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয় অর্থ বিভাগে—যাতে বাড়ি ভাড়া ভাতা ২ হাজার বা ৩ হাজার টাকা করার কথা বলা হয়। কিন্তু শিক্ষকরা বলছেন, তারা চান ভাড়া ভাতা হোক মূল বেতনের ২০ শতাংশ।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন পান। তাদের চিকিৎসা ভাতা মাসে ৫০০ টাকা এবং বাড়ি ভাড়া ভাতা আগে ছিল ১ হাজার টাকা, যা এখন ১ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে।

আগে তারা বছরে দুবার মূল বেতনের ২৫ শতাংশ করে উৎসব ভাতা পেতেন। এখন তা বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে। তবে কর্মচারীরা চান উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ করা হোক।


Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন