জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোট গণনায় কেন দেরি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেলে। এরপর রাত সাড়ে দশটার দিকে শুরু হয় গণনা। তবে শুক্রবার সকাল পর্যন্তও ফলাফল পুরোপুরি শেষ হয়নি। ভোটার ছিলেন ১১ হাজারের বেশি, তার মধ্যে প্রায় ৬৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন।
ভোট গণনায় দেরির কারণ জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সদস্যসচিব অধ্যাপক একেএম রাশিদুল আলম কয়েকটি বিষয় ব্যাখ্যা করেন।
তিনি জানান, প্রথমে পরিকল্পনা ছিল ওএমআর মেশিন দিয়ে দ্রুত ফলাফল বের করার। কিন্তু প্রার্থীদের আপত্তিতে শেষ মুহূর্তে হাতে গুনে ভোট গণনার সিদ্ধান্ত হয়। স্বাভাবিকভাবেই এতে সময় বেশি লেগেছে।
এ ছাড়া কিছু হলে সকাল নয়টার সময়মতো ভোট শুরু হয়নি, কোথাও মাঝপথে বন্ধ থেকেছে। বিশেষ করে বড় দুটি হলে দুপুর পর্যন্ত ভোট পড়া ছিল খুবই কম। বিকেলে একসঙ্গে বিপুল শিক্ষার্থী ভোট দিতে এলে সেখানকার ব্যালট বাক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে পৌঁছাতে রাত পেরিয়ে যায়। সব ব্যালট আসা ছাড়া গণনা শুরু করা যায়নি।
ম্যানুয়ালি ভোট গুনতে শুরুতে অভিজ্ঞতার অভাব থাকায় ধীরগতিতে কাজ এগোয়। পরে টেবিল বাড়ানো হয়, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়, আর গতি কিছুটা বাড়ে।
রাশিদুল আলম আরও বলেন, কিছু হলে পোলিং এজেন্ট উপস্থিত না থাকায় ব্যালট খোলা ও হিসাব করার কাজ বিলম্বিত হয়েছে। কারণ নিয়ম অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পোলিং এজেন্টের সামনে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।
তবে কমিশনের এই কর্মকর্তা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রাথমিক জটিলতাগুলো কাটিয়ে ওঠা গেছে এবং গণনা শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব হবে।

