Logo
Logo
×

অর্থনীতি

এলপিজি আমদানিতে ২৭০ দিনের ঋণসুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

Icon

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম

এলপিজি আমদানিতে ২৭০ দিনের ঋণসুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ডলারের তারল্যচাপ কমানো এবং দেশের বাজারে চলমান সংকট কাটিয়ে উঠতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির ক্ষেত্রে বিধি শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে বাকিতে এলপিজি আমদানি করতে পারবেন আমদানিকারকরা। সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত এই ঋণসুবিধা ব্যবহার করা যাবে। নতুন নীতি অনুযায়ী, এখন থেকে দেশীয় ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ার্স বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটে এলপিজি আমদানি করা যাবে।

আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ক্রেডিটে আমদানির করা এলপিজি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করা হবে। এর ফলে আমদানিকারকরা সর্বোচ্চ ২৭০ দিন মেয়াদে বাকিতে মূল্য পরিশোধের সুবিধা পাবেন।

এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরে দেশে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় এলপিজিকে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আমদানিতে বাড়তি সময়ের ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গত ২৯ ডিসেম্বর শিল্প কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি আমদানিকারকরাও একই সুবিধার আওতায় এলেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরবরাহকারীর কাছ থেকে বাণিজ্যিক ঋণের পাশাপাশি আমদানিকারকেরা চাইলে বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতা ঋণ নিতে পারবেন। একইসঙ্গে দেশের নির্ধারিত ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও গ্রহণ করা যাবে। তবে এসব ক্ষেত্রে প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালা ও ঋণ সংক্রান্ত সতর্কতামূলক নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন